সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া খুব ক্রিটিক্যাল অবস্থায় আছেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খান।
আজ সোমবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
এর আগে, সোমবার সকালে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, খালেদা জিয়াকে সুস্থ করতে চিকিৎসকরা আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন, যেন খালেদা জিয়া সুস্থ হয়ে ওঠেন। দেশী-বিদেশী চিকিৎসকরা মিলে যৌথভাবেই কাজ করে যাচ্ছেন।
প্রসঙ্গত, বেগম খালেদা জিয়া ফুসফুসে সংক্রমণ থেকে সৃষ্ট শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। এর পর দেখা দেয় নিউমোনিয়া। তার কিডনি, লিভার, আর্থ্রাইটিস ও ডায়াবেটিসের সমস্যা ছিল। ফলে একটির চিকিৎসা দিতে গেলে আরেকটির ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে।
গত ২৩ নভেম্বর তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার গভীর রাতে তার অবস্থার অবনতি শুরু হয়। মেডিকেল বোর্ডের এক সদস্য জানান, খালেদা জিয়ার শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে। তার শরীর ক্রিয়াশীল আছে। হাত-পা কিছুটা নাড়াচাড়া করতে পারছেন। দুয়েকটি কথাও বলেছেন গতকাল।
আজ সোমবার (১ ডিসেম্বর) চীনের একটি চিকিৎসক দলের ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। তারা খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ দেবেন।
মেডিকেল বোর্ডে নতুন করে যুক্ত হয়েছেন লন্ডন ক্লিনিকের একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত এই বোর্ড প্রতিদিন বৈঠক করে চিকিৎসার নতুন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। লন্ডন থেকে ভার্চু্যয়ালি যুক্ত হচ্ছেন ডা. জোবাইদা রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিনস হাসপাতালের কয়েকজন চিকিৎসকও নিয়মিত আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন।
এ ছাড়া যুক্তরাজ্য, সৌদি আরব, সিঙ্গাপুর, চীন, যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিনস, মাউন্ট সিনাইসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞদের আলোচনার ভিত্তিতেই বর্তমানে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা পরিচালিত হচ্ছে।







