এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই বাড়তি উত্তাপ, আইসিসির কোন আসরে হলে তো কথাই নেই, কয়েক হাজার কোটির বাণিজ্য। অন্যদিকে নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যায়নি বাংলাদেশ, বিকল্প দল নিয়েছে আইসিসি। সেটির জেরে মাঠের বাইরে উত্তাপ ছড়িয়েছে পাকিস্তান। দেশটি সরকার ঘোষণা দেয় বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াতে ভারতের বিপক্ষে গ্রুপপর্বের ম্যাচ বয়কট করছে তারা। প্রসঙ্গটিতে এতদিন বিসিসিআই কিছু না বললেও শেষে মুখ খুলল। সোমবার বিসিসিআই সহ-সভাপতি রাজীব শুক্লা কথা বলেছেন।
রাজীব শুক্লা বলেছেন, ‘আগেও পরিষ্কার করেছি, আইসিসি যা সিদ্ধান্ত নেবে, আমরা সেটার সঙ্গেই থাকব। এই বিষয়ে বিসিসিআইয়ের নিজস্ব কিছু বলার নেই।’
এর আগে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গড়তে আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাজা এবং অ্যাসোসিয়েট সদস্যদের প্রতিনিধি মুবাশির উসমানি রোববার পিসিবি প্রধান মহসিন নাকভির সঙ্গে বৈঠক করেন পাকিস্তানে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলামও। ভারতের গণমাধ্যমে প্রতিবেদন, বয়কট প্রত্যাহারের জন্য আইসিসির কাছে বাংলাদেশের পক্ষে তিনটি শর্ত জুড়ে দিয়েছে পিসিবি। বলা হচ্ছে, পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত ম্যাচ বয়কট থেকে সরে আসতে পারে, যদি আইসিসি শর্তগুলো মেনে নেয়।
বাংলাদেশের পক্ষে তোলা পিসিবির ওই তিনটি শর্ত আইসিসি মানলেই বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে খেলবে পাকিস্তান। প্রথমটি হল- বাংলাদেশের জন্য বাড়তি ক্ষতিপূরণ। দ্বিতীয়টি: টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়া সত্ত্বেও বাংলাদেশের জন্য অংশগ্রহণ ফি। এবং তৃতীয় দাবি- ভবিষ্যতে কোন একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের স্বত্ব বিসিবিকে দেয়া। ধারণা করা হচ্ছে, বৈশ্বিক টুর্নামেন্টটি হতে পারে ২০২৮ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ আয়োজন।
তবে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ খেলা হবে কিনা, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ। কারণ ম্যাচ না খেলার ঘোষণা দিয়েছিল পাকিস্তান সরকারই। পিসিবি সভাপতি আগামী ২৪-২৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে বৈঠক করবেন। চলতি ইস্যুতে চূড়ান্ত কথা আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই আসতে পারে বলা হচ্ছে।








