বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন পেয়েছেন প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব। আগে দীর্ঘদিন সহকারী নির্বাচক হিসেবে কাজ করেছেন। প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব পেয়ে জানালেন লক্ষ্যের কথা।
হাবিবুলের সঙ্গে সহকারী নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নাদিফ চৌধুরি ও নাঈম ইসলাম। প্যানেলে আগে থেকে ছিলেন হাসিবুল হোসেন শান্ত।
মঙ্গলবার গণমাধ্যমে হাবিবুল বললেন, ‘অবশ্যই এক্সাইটেড। এবছর বাংলাদেশের অনেক খেলা। বিশ্বকাপের বছর, সাথে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ অনেক, বড় সিরিজ। ভালো খেলাটা জরুরি। ধারাবাহিকতা ধরে রাখাও অনেক জরুরি। নির্বাচকের কাজটা অনেক দায়িত্বের জায়গা। আশাবাদী, দেখা যাক, ভালো কাজ করব আশা করছি।’
‘এখন পর্যন্ত স্কোয়াড তারা (আগের নির্বাচক প্যানেল) দিয়েছে। আমরা পহেলা এপ্রিল থেকে জয়েন করব। (গাজী আশরাফ হোসেন) লিপু ভাইয়ের সাথে আমার কথা হয়েছে। দুই বছর ধরে একটা প্ল্যান নিয়ে কাজ করছিলেন। তার ধারাবাহিকতাও জরুরি। সেটাকেই যেন আমরা আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি। বসেছিলাম নির্বাচকরা। সামনে আবার বসে কাজ বুঝে নেব। পুরোপুরি কাজ বুঝে নেব সামনের মাস থেকে।’
নির্বাচক প্যানেল নিয়ে হাবিবুল বলেছেন, ‘অভিজ্ঞতার সাথে তারুণ্যের ভালো মিশেল রয়েছে। হাসিবুল হোসেন শান্ত আগে থেকেই ছিলেন। নাঈম ইসলাম অনেকদিন ধরে খেলছেন। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অনেক খেলেছেন। জাতীয় দলের বাইরে যারা খেলছেন তাদেরকে ভালোভাবে দেখাটাও জরুরি। নাঈম অনেকদিন ঘরোয়া ক্রিকেট খেলেছেন, সেখানে ভালো ইনপুট আমরা পেতে পারব। নাদিফ চৌধুরী জুনিয়র লেভেলে কাজ করেছেন, ঘরোয়াতে খেলেছেন। এটা ইতিবাচক। সবাই ক্রিকেটের সাথেই আছেন, ক্রিকেট নিয়েই আছেন, খেলোয়াড় নির্বাচনে এগুলো কাজে দেবে।’
লক্ষ্য নিয়ে হাবিবুল বললেন, ‘প্রাথমিক লক্ষ্য সরাসরি যেন বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করতে পারি। সাথে পারফরম্যান্সে যেন ধারাবাহিকতা থাকে। যেহেতু এবছর অনেক খেলা। আমার মনে হয় লম্বা একটা গ্রুপ নিয়ে কাজ করতে হবে। ১৫ জনের দলের বাইরের গ্রুপটা নিয়ে কাজ করাটা জরুরি। এটা করতে পারলে আশা করি বেশি সমস্যা হবে না।’








