বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজে র্যাগিংয়ের ঘটনায় গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদটি নিয়ে রোববার বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে গিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তামজিদ হাসান পাপুল।
তবে আদালত বলেন,’পত্রিকার নিউজ নিয়ে নয়, আবেদন আকারে আসলে দেখবো। পরে আইনজীবী তামজিদ হাসান পাপুল সাংবাদিকদের বলেন,’আগামীকাল এবিষয়টি নিয়ে রিট আবেদন করেই আবার আমরা হাইকোর্টে আসবো।’
বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘নির্যাতনের শিকার’ ওই ছাত্রী তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। গত ২৩ অগাস্ট রাতে ৫০তম ব্যাচের নীলিমা হোসেন জুঁইসহ কয়েকজন ওই ছাত্রীকে র্যাগ দেয়। এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। এ ঘটনার অভিযোগ দিতে ২৬ আগস্ট সকালে ওই ছাত্রী অধ্যক্ষের কাছে গিয়েছিলেন। একপর্যায়ে সাংবাদিকরা ‘নির্যাতিতা’ ছাত্রীর বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু শিক্ষার্থীর বক্তব্য নিতে গেলে কলেজ অধ্যক্ষ, কয়েকজন শিক্ষক ও অফিস সহকারী মিলে সাত সংবাদকর্মীর ওপর হামলা চালায়। তাদেরকে ধাক্কাতে ধাক্কাতে সেখান থেকে বের করে দেন। যদিও বিষয়টি পরে সমঝোতা হয়।
র্যাগিংয়ের ব্যাপারে জানতে চাইলে নীলিমা হোসেন জুঁই শনিবার রাতে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘যেসব অভিযোগ আমার বিরুদ্ধে করা হয়েছে তা ভিত্তিহীন। আমি এখন কথা বলার মত অবস্থায় নেই।’








