চট্টগ্রাম থেকে: সিলেট টেস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বল হাতে দারুণ করেছেন নাহিদ রানা। টাইগার পেসারের গতি সামাল দিতে বেশ বেগ পেতে হয়েছিল জিম্বাবুয়ে ব্যাটারদের। প্রথম ইনিংসে তিন উইকেট শিকার করেছিলেন। দ্বিতীয় ইনিংসে অবশ্য সাফল্য পাননি। চট্টগ্রাম টেস্টের দলে নেই ২২ বর্ষী পেসার। পিএসএল খেলতে পাকিস্তান গেছেন। নাহিদের না থাকায় পেস ইউনিটে কিছুটা হলেও শক্তি খর্ব হয়েছে বাংলাদেশের। কোচ ফিল সিমন্স অবশ্য তা বলছেন না।
সোমবার চট্টগ্রামে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে। ম্যাচের আগেরদিন সংবাদ সম্মেলনে নাহিদকে নিয়ে বলেছেন বাংলাদেশের ক্যারিবীয় কোচ।
বাংলাদেশের শক্তি খর্ব হয়েছে কিনা প্রশ্ন তিনি বলেছেন, ‘শক্তি হারিয়েছি বলব না। গতি হারিয়েছি বলতে পারেন। রানার চলে যাওয়ার ফলে। এখানে স্কিলড বোলারও আছে। চট্টগ্রামে আসলে স্লো উইকেট হয়ে থাকে। আশা করি কিছুটা টার্ন বের করতে পারব। এখানের পেসাররা কাজটা করে দিতে পারব।
চট্টগ্রাম টেস্টে পেস ইউনিটে হাসান মাহমুদ, খালেদ আহমেদ ও তানজিম সাকিবে ভরসা রাখছেন কোচ। বলেছেন, ‘আমাদের স্কিলে ফোকাস করতে হবে। হাসান ৫ উইকেট নিয়েছে পাকিস্তানে, বেশি একটা পার্থক্য নয়। খালেদ ভালো করছে, সাকিব তরুণ এখনও। আমার মনে হয় এখানেও আমাদের ভালো পেসার রয়েছে।’
সাদা বলের ক্রিকেটে জাত চিনিয়েছেন তানজিম সাকিব। লাল বলের ক্রিকেটে এখনও অভিষেক হয়নি। জিম্বাবুয়ে সিরিজের দলে আছেন। সুযোগ পেলে টেস্টেও তিনি ভালো করবেন, আশাবাদী সিমন্স। বলেছেন, ‘আমার মনে হয় সে যেকোনো ফরম্যাটেই ভালো করতে পারবে। যে লেন্থে সে বল করে, দারুণ পেসও আছে। সাদা বলে স্টাম্পে হিট করে। কট বিহাইন্ড করে প্রায়ই। আশা করি সে ভালো করতে পারবে।’







