এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম থেকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও যুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা করেছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে তার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাজধানীর সার্কিট হাউজ রোডে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) অডিটোরিয়ামে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সংবাদপত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দেশের মানুষ এখন একটি আত্মমর্যাদাশীল ও স্বাবলম্বী বাংলাদেশ দেখতে চায়। আধিপত্যবাদের বাইরে গিয়ে নিজেদের শক্তিতে দাঁড়ানোই হবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পথচলা। তিনি আরও বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিচ্ছবি দেখতে পাই। আশা করি, তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আরও অনেক দূর এগিয়ে যাবে।
অনুষ্ঠানে সভাপ্রধানের বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনা ও নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সব পক্ষকে সমন্বয়ের মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগিয়ে নিয়েছিলেন।
জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, গার্মেন্টস শিল্পের বিকাশ এবং জনশক্তি রপ্তানির মাধ্যমে জিয়াউর রহমান দেশের অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছিলেন।
এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিরা জিয়াউর রহমানের জীবন, কর্ম ও রাজনৈতিক অবদানভিত্তিক সংবাদপত্র প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন। প্রদর্শনীতে তার রাজনৈতিক জীবন, রাষ্ট্র পরিচালনা এবং দেশের উন্নয়নে অবদানসংবলিত বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদন, আলোকচিত্র ও দলিল উপস্থাপন করা হয়।







