দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ২৩৮ রানের লক্ষ্যে ক্যারিবীয়রা পৌঁছে যায় ১৩.১ ওভার আগেই। রাদারফোর্ড ১৫ বলে ২৪ ও শেই হোপ ২১ বলে ১৭ রানে অপরাজিত থাকেন। ব্র্যান্ডন কিং ৮২, এভিন লুইস ৪৯ রানে আউট হন। কার্টির ব্যাট থেকে আসে ৪৫ রান। সবার চেষ্টায় সহজেই ওয়ানডে সিরিজ জিতে নিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সিরিজের শেষ ম্যাচ বাংলাদেশের জন্য হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর।
২,০২
কার্টিকে ফেরালেন আফিফ
ফিফটির খুব কাছে গিয়ে আউট হলেন কার্টি। অফস্পিনার আফিফ হোসেনের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে পয়েন্টে নাহিদ রানার হাতে ক্যাচ তুলে দেন। ৪৭ বলে ৪৫ রানের ইনিংসে মারেন ৭টি চার।
১.৩৫
নাহিদ রানার গতির কাছে হার মানলেন কিং
শুরু থেকেই দুর্দান্ত ব্যাটিং করে যাওয়া ব্রান্ডন কিংয়ের লড়াই থামল ৮২ রানে। সেঞ্চুরির আশা জাগিয়ে ফিরতে হলো নাহিদ রানার পেসে বিট হয়ে। দারুণ এক ইয়র্কারে বোল্ড হন উইন্ডিজ ওপেনার। ৭৬ বলের ইনিংসে ৮টি চার ও ৩টি ছয় মারেন ডানহাতি ব্যাটার।
১.০০
লুইসকে ফেরালেন রিশাদ
নাহিদ রানার দ্রুতগতির বলে চোট পেয়ে ২২ গজে সংগ্রাম করছিলেন এভিন লুইস। ২৮ রানে জীবন পাওয়া ক্যারিবিয়ান ওপেনার ৪৯ রান করে রিশাদ হোসেনের শিকারে পরিনত হন। ফিরতি ক্যাচ নেন টাইগার লেগ স্পিনার। ১০৯ রানে ভাঙে উইন্ডিজের ওপেনিং জুটি।
১২.৫২
কিং-লুইসের শতরানের জুটি
ওপেনিং ১০০ রানের জুটি গড়লেন ব্রান্ডন কিং ও এভিন লুইস। ১৯.১ ওভারে ক্যারিবীয়দের সংগ্রহ ১০০ রান। ২৩৮ রান করলেই ওয়ানডে সিরিজ জিতবে স্বাগতিকরা।
১২.২৫
জীবন পেলেন লুইস
মেহেদী হাসান মিরাজকে সোজা ব্যাটে বিশাল এক ছয় মারার পরের বলেও মারমুখী ছিলেন এভিন লুইস। পুল শটের টাইমিং হেরফের হওয়ায় বল হাওয়ায় ভেসে যায় লং অনে। সামনের দিকে ঝাঁপিয়ে চেষ্টা করলেও সৌম্য সরকার হাতে জমাতে পারেননি বল। ওয়েষ্ট ইন্ডিজের ওপেনিং জুটি ভাঙার সুযোগ হাতছাড়া হয় বাংলাদেশের। লুইস তখন ২৮ রানে ব্যাট করছিলেন।
১২.১০
ফিফটি পেরিয়ে ওয়েষ্ট ইন্ডিজ
২২৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিং করতে নেমে ১০ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ৫৪ রান। ব্রান্ডন কিং ৩০ ও এভিন লুইস ২০ রানে অপরাজিত আছেন। তানজিম হাসান সাকিবের করা নবম ওভার থেকে আসে ১৬ রান।
১২.০০
জুটি ভাঙার লড়াই
ওয়েস্ট ইন্ডিজের ওপেনিং জুটি বিচ্ছিন্ন করতে পারছে না বাংলাদেশ। এভিন লুইস ধীরগতিতে আগালেও আরেক ওপেনার ব্রান্ডন কিং দ্রুত রান তুলছেন। ৮ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৩৪ রান তুলেছে স্বাগতিকরা। লুইস ২৩ বলে ৬ ও কিং ২৫ বলে ২৬ রানে অপরাজিত আছেন।
১১.৩৫
শুরুতেই আগ্রাসী ওয়েস্ট ইন্ডিজ
নাগালে থাকা লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই আক্রমনাত্মক দুই ক্যারিবীয় ওপেনার। প্রথম ২ ওভারে কিং ও লুইস মিলে নিয়েছেন ১৬ রান।
১১.০৫
ভালো শুরুর পর ব্যাটারদের আসা-যাওয়ার মাঝে ব্যতিক্রম ছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও পেসার তানজিম হাসান সাকিব। তাদের ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ে পরও সম্মানজনক ২২৭ রানের পুঁজি পেয়েছে সফরকারীরা।
১০.৫৬
সংক্ষিপ্ত স্কোর
টস- ওয়েস্ট ইন্ডিজ
বাংলাদেশ- ২২৭/১০ (৪৫.৫)
মাহমুদউল্লাহ-৬২ (৯২), তানজিদ তামিম-৪৬ (৩৩), তানজিম সাকিব-৪৫ (৬২)
জেডিন সিলস-৪/২২, গুডাকেশ মোতি-২/৩৬
১০.৫৪
২২৭ রানে থামল বাংলাদেশ
মাহমুদউল্লাহ ও তানজিম ফেরার শরিফুল ও নাহিদ ১৮ রান যোগ করেছেন। ৪৬তম ওভারে রোমারিও শেইফার্ডের প্রথম চার বলে দুটি চার ও ছক্কা হাঁকান শরিফুল। ১৪ রান আদায়ের পর পঞ্চম বলে ধরা দেন গুডাকেশ মোতির হাতে। ৮ বলে ১৫ রান করেন শরিফুল। নাহিদ অপরাজিত ছিলেন ৪ রানে।
১০.৪৫
মাহমুদউল্লাহও ফিরে গেলেন
তানজিম ফেরার পরের ওভারেই ফিরে গেলেন মাহমুদউল্লাহ। ৪৪.১ ওভারে জেডিন সিলসের বলে গুডাকেশ মোতির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। দুটি চার ও চারটি ছক্কায় ৯২ বলে ৬২ রান করেন। ২০৯ রানে নবম উইকেট হারাল বাংলাদেশ।
১০.৪১
মাহমুদউল্লাহ-তানজিমের রেকর্ড জুটি ভাঙলেন রোস্টন চেজ
অষ্টম উইকেট জুটিতে বাংলাদেশকে টেনে নেন মাহমুদউল্লাহ ও তানজিম। রেকর্ড জুটি গড়ে বাংলাদেশকে লড়াইয়ের পূঁজি এনে দিয়েছেন দুজনে। ১০৬ বল মোকাবেলা করে ৯২ রান যোগ করার পর জুটি ভাঙেন রোস্টন
চেজ। অষ্টম উইকেট জুটিতে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড এটি। ভেঙেছে মোহাম্মদ মিঠুন ও মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের ৮৪ রানের জুটি। ২০১৯ সালে নেপিয়ারে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এ জুটি গড়েছিলেন মিঠুন-সাইফুদ্দিন।
৪৩.১ ওভারে ফিরতি ক্যাচে তানজিমকে ফেরান। ৬২ বলে ৪৫ রান করেন তানজিম। ছিল দুটি ছক্কা ও চারটি চারের মার। টাইগার পেসারের ক্যারিয়ারসেরা ব্যাটিংও এটি।
১০.৩২
বাংলাদেশ ২০০ পেরিয়ে
১১৫ রানে ৭ ব্যাটারকে হারানোর পর হাল ধরেন মাহমুদউল্লাহ-তানজিম জুটি। দুজনে ভর করে ৪২.৪ ওভারে ২০০ পার করেছে বাংলাদেশ।
১০.৩২
রিয়াদের ফিফটি, ৪২ ওভারে বাংলাদেশ ১৯৫/৭
প্রথম ম্যাচেও ফিফটি করেছিলেন মাহমুদউল্লাহ। দ্বিতীয়টিতে ১১৫ রানে ৭ ব্যাটারকে হারানোর পর খাদের কিনারা থেকে দলকে টেনে নিচ্ছেন। ৪১.২ ওভারে টানা দ্বিতীয় ফিফটি পূর্ণ করেছেন টাইগার ব্যাটার। অবশ্য ফিফটির পথে ৮৪ বল খেলেছেন।
৪২ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ১৯৫ রান। এখন পর্যন্ত ৮০ রান যোগ করেছেন মাহমুদউল্লাহ-তানজিম জুটি। মাহমুদউল্লাহ ৫০ রানে এবং সাকিব ৪৪ রানে ব্যাট করছেন।
১০.০৪
দেড়শ পেরিয়ে বাংলাদেশ
ব্যাটিং ধসের পর শঙ্কা জেগেছিল বাংলাদেশ দেড়শ রান করতে পারবে কিনা তা নিয়ে। তবে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও তানজিম সাকিবে ভর করে ৩৪.২ ওভারে দেড়শ পেরিয়েছে বাংলাদেশ। ৩৫ ওভার শেষে বাংলাদেশ ৭ উইকেটে ১৫৭ রান। মাহমুদউল্লাহ ৩৯ রানে এবং তানজিম ১৮ রানে ব্যাট করছেন।
৯.৫৬
জীবন পেলেন মাহমুদউল্লাহ
ধুঁকতে থাকা বাংলাদেশের কিছুটা হলেও হাল ধরেছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তবে টেস্ট মেজাজেই এগোচ্ছেন। ৩২তম ওভারে ভাগ্য সহায় হয়েছে তার। রোমাওরিও শেইফার্ডের বলে এজ হয় সেকেন্ড স্লিপে থাকা ব্র্যান্ডন কিং তালুবন্দি করতে ব্যর্থ হন।
৯.৩১
রিশাদ ফিরলেন রানের খাতা খোলার আগেই
ক্যারিবীয় বোলারদের তোপে ধুঁকছে বাংলাদেশ। ১১৫ রানে সপ্তম উইকেট হারাল টিম টাইগার্স। ২৫.৩ ওভারে মার্কুনিও মাইন্ডলির বলে রোস্টন চেজের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে গেছেন রিশাদ। ৮ বল মোকাবেলা করলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি।
৯.১৭
নিজেকে মেলে ধরতে পারলেন না জাকের
প্রথম ওয়ানডেতে দারুণ করেছিলেন জাকের আলি অনিক। দ্বিতীয়টিতে ব্যর্থ হলেন। লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে মোতির দ্বিতীয় শিকার হলেন টাইগার ব্যাটার। আগের ওভারে আফিফকে ফেরান ক্যারিবীয় বোলার।
৯.০৯
আফিফ ফিরে গেলেন ২৪ রান করে
শতরানে পৌঁছেই পঞ্চম উইকেট হারাল বাংলাদেশ। ১৮.৫ ওভারে গুডাকেশ মোতির বলে লং অফে রাদারফোর্ডের হাতে ক্যাচ দেন। ২৯ বলের ইনিংসটিতে ছিল চারটি চারের মার।
৯.০৪
বাংলাদেশের ১০০
৪ উইকেট হারিয়ে শতরানে পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ, ১৮.৩ ওভারে। ক্রিজে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৭ ও আফিফ হোসেন আছেন ২৪ রানে।
৮.৩০
যাওয়া-আসার মিছিলে তামিমও
ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশের যাওয়া-আসার মিছিলে যোগ দিয়েছেন ওপেনার তানজিদ তামিমও। গতদিনের মত শট খেলতে গিয়ে গালিতে রস্টন চেজের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি, করেছেন ৩৩ বলে ৪৬ রান।
৮.২৪
মিরাজের বিদায়
পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার এক বল আগে বোল্ড আউট হয়েছেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। জেডান সিলসের বল ছেড়ে দিবেন নাকি খেলবেন বুঝে উঠার আগেই বোল্ড হন টিম টাইগার্স অধিনায়ক। তার থেকে এসেছে মাত্র ১ রান, পাওয়ার প্লে শেষে স্কোর দাঁড়িয়েছে ৫৫ রান।
৮.২০
দলীয় ফিফটি
ঝড়ো ইনিংস শুরুর পরও বেশি রান হয়নি বাংলাদেশের ইনিংসে। দশম ওভারে এসে ফিফটির দেখা পেয়েছে বাংলাদেশ। তার আগে সৌম্য সরকার ও লিটন দাসের উইকেট হারিয়েছে দলটি।
৮.১২
টেস্টে নেমে সাজঘরে লিটন!
ওপেনার সৌম্য সরকারের আউটের পর ক্রিজে আসেন উইকেটকিপার ব্যাটার লিটন দাস। ডানহাতি এ ব্যাটার এসেই টেস্ট খেলা শুরু করেছেন। ১৮ বল খেলা লিটন আছেন পুরো টেস্ট মুডে, করেছেন ৪ রান। কোনো বাউন্ডারি বা ওভার বাউন্ডারি দেখা যায়নি তার থেকে। ১৯তম বলে শট স্লিপে এভিন লুইসের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন।
৭.৪৭
শুরুতেই সৌম্য শেষ
অপরপ্রান্তে তামিমের দারুণ শুরুর পর চতুর্থ ওভারের প্রথম বলে সাজঘরে ফিরে গেছেন সৌম্য সরকার। ২ রান করেছেন সৌম্য, ক্যাচ দিয়েছেন লং অনে গুডাকেশ মোটির হাতে।
৭.৪৫
মারমুখী তামিম
ইনিংসের প্রথম বলে বাউন্ডারি দিয়ে রানের খাতা খোলা তানজিদ তামিমকে বেশ মারমুখী দেখা গেছে। তৃতীয় ওভারের তৃতীয় বলে চারের পর চতুর্থ ও ষষ্ঠ বলে দুই ছক্কা হাঁকিয়েছেন এ ওপেনার।
৭.৩১
বাউন্ডারি দিয়ে ইনিংস শুরু
অভিষিক্ত পেসার মার্কিনো মিন্ডলের ক্যারিয়ারের প্রথম বলে বাউন্ডারি মেরে রানের খাতা খুলেছেন বাঁহাতি ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। আলঝারি জোসেফের পরিবর্তে দলে ঢুকেছেন ডানহাতি এ পেসার।
৭.২৮
মেহেদী মিরাজ
ভালো উইকেট মনে হয়েছে। এ উইকেটে স্পিনারদের ভালো করার সুযোগ রয়েছে। আমরা বড় সংগ্রহ গড়তে পারলে ম্যাচ জেতার সম্ভাবনা রয়েছে।
৭.২৫
জোসেফকে জরিমানা
প্রথম ওয়ানডেতে আইসিসির আচরণবিধি ভাঙায় ম্যাচ ফি’র ২৫ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেসার আলঝারি জোসেফকে।
৭.২০
ওয়েস্ট ইন্ডিজ একাদশ:
ব্রান্ডন কিং, এভিন লুইস, কেসি কার্টি, শাই হোপ (অধিনায়ক), শেরফান রাদারফোর্ড, রস্টন চেজ, রোমারিও শেফার্ড, জাস্টিন গ্রিভস, মার্কিনো মিন্ডলে, গুডাকেশ মোটি, জেডাস সিলস।
৭.১৫
বাংলাদেশ একাদশ:
তানজিদ তামিম, সৌম্য সরকার, লিটন দাস, আফিফ হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, জাকের আলি অনিক, রিশাদ হোসাইন, শরিফুল ইসলাম, নাহিদ রানা ও তানজিম হাসান সাকিব।
৭.০০
টসে হেরে আগে ব্যাট করবে বাংলাদেশ
২.৩২
ওয়েস্ট ইন্ডিজে দুই টেস্টের সিরিজে ১-১এ ড্রয়ের পর ওয়ানডে সিরিজে প্রথমটিতে জয় পায়নি বাংলাদেশ।








