আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ দুই টেস্ট সিরিজে প্রথমটিতে প্রথম ইনিংসে ব্যাটে নেমে মন্থর শুরু করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ওপেনার মিকাইলে লুইসের নার্ভাস নাইনটিজে ৯৭ ও অ্যালিক অ্যাথানজের ৯০ রানের সুবাদে প্রথমদিনে ভালো অবস্থানেই শেষ করেছে ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েটের দল। শুরুতে বাংলাদেশের পেসাররা ওয়েস্ট ইন্ডিজকে চেপে ধরলেও স্বাগতিকদের সামনে ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি।
দারুণ ইনিংস খেলে আউট হয়েছেন লুইস, করেছেন ৯৭ রান। মেহেদী হাসান মিরাজের বলে তিন রানের জন্য সেঞ্চুরি বঞ্চিত লুইসের দেখানো পথে হেঁটেছেন অ্যাথানজেও। বাঁহাতি ব্যাটার তাইজুল ইসলামের বলে আউট হয়েছেন ৯০ রানে। প্রথমদিনে ৮৪ ওভার খেলে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৫০ রান তুলেছে উইন্ডিজ। দ্বিতীয় দিনে ব্যাটে নামবেন জাস্টিন গ্রিভস (১১*) ও উইকেটকিপার-ব্যাটার জসুয়া ডি সিলভা (১৪*)।
অ্যান্টিগার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে টেস্টে অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক হওয়া মেহেদী হাসান মিরাজ টসে জিতে আগে বল করার সিদ্ধান্ত নেন। দুই পেসার শুরুটাও করেছিলেন দারুণভাবে, পরে সেটা আর ধরে রাখতে পারেননি বোলাররা। দারুণ এক কীর্তির সামনে দাঁড়িয়ে উইকেটশূন্য থেকেছেন হাসান মাহমুদ।
এক পঞ্জিকাবর্ষে সর্বাধিক উইকেটের অপেক্ষায় আছেন হাসান। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে এক ক্যালেন্ডারে সর্বাধিক উইকেট নেয়ার রেকর্ড সাবেক পেসার শাহাদাত হোসেনের দখলে। ২০০৮ সালে শাহাদাত একবছরে ২৩টি উইকেট নিয়েছিলেন। এবছর হাসানও ২৩টি উইকেট নিয়েছেন। আর একটি উইকেট পেলে একবছরে বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সর্বাধিক উইকেট নেয়ার রেকর্ডধারী হওয়ার সুযোগ তার, সেই অপেক্ষা বেড়েছে।
৯০ রানে থাকার সময় মিরাজের ভুলে জীবন পান লুইস। সুযোগ কাজে লাগিয়ে সেঞ্চুরি তুলে নিতে পারেননি ওপেনার। ৯৭ রানে মিরাজের বলেই কাটা পড়েছেন, খেলেছেন ২১৮ বলের ধৈর্যশীল ইনিংস। তার আউটে তৃতীয় সেশনে প্রথম সাফল্য পায় বাংলাদেশ। ইনিংসে ৯টি চার ও একটি ছক্কার মার।
চতুর্থ উইকেটে লুইসের সাথে ১৪০ রানের জুটি গড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ভালো সংগ্রহ দেয়া অ্যালিক অ্যাথানজেও সেঞ্চুরি তুলে নিতে পারেননি। নার্ভাস নাইনটিজের ফাঁদে আউট হয়েছেন বাঁহাতি ব্যাটার। লুইসের আউটের পর তাইজুল ইসলামের বলে অ্যাথানজে আউট হয়েছেন ৯০ রানে। তার ইনিংসে ১০ চার ও একটি ছক্কার মার।
বাংলাদেশের পেসার তাসকিন আহমেদ ৪৭ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন। মিরাজ ও তাইজুল নিয়েছেন একটি করে উইকেট।







