মেয়েদের এএফসি এশিয়ান কাপে প্রথমবার খেলতে গিয়েই ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ায় খেলতে গিয়ে অবশ্য দুম্যাচে জয়ের দেখা পায়নি আফঈদা খন্দারের দল। গ্রুপপর্বের তৃতীয় ম্যাচে লাল-সবুজদের প্রতিপক্ষ মধ্য এশিয়ার শক্তিশালী দল উজবেকিস্তান।
এএফসি এশিয়ান কাপে ‘বি’ গ্রুপে নিজেদের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে একটি জয়ের খোঁজে উজবেকিস্তানের মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ। সোমবার পার্থে এইচবিএফ পার্কে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায় শুরু লড়াই।
র্যাঙ্কিংয়ের বিচারে দুদলের শক্তিমত্তার পার্থক্য অনেক বেশি। বাংলাদেশের অবস্থান ১১২তে, উজবেকিস্তানের র্যাঙ্কিং ৪৯। অর্থাৎ, দ্বিগুণ শক্তিশালী এক দলের বিপক্ষে খেলে বড় ব্যবধানের জয় পেলে কোয়ার্টার ফাইনালের সমীকরণ মেলাতে পারবেন ঋতুপর্ণা-শামসুন্নাহাররা। সেরা তিনের দুদল হতে হলে বাংলাদেশকে কমপক্ষে ৬ গোলের ব্যবধানে জিততে হবে।
পিটার বাটলারের শিষ্যদের অনুপ্রেরণা খোঁজার চেয়ে মাঠে কাজ করতে হবে বেশি। মিয়ানমারকে ইয়াঙ্গুনে বাছাইয়ে ২-১ গোলে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। তখন মিয়ানমারের র্যাঙ্কিং ছিল উজবেকিস্তানের আশেপাশে। ঐ ম্যাচের মতো স্ট্রাইকারদের সাহসী ভূমিকা রাখতে হবে।
এশিয়ান কাপের প্রথম ম্যাচে প্রতিযোগিতার বর্তমান চ্যাম্পিয়ন চীনকে রুখে দিয়েছিল বাংলাদেশ, হেরেছিল কেবল ২-০ ব্যবধানে। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে আরেক সফল দল নর্থ কোরিয়ার বিপক্ষে ৫-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারে আফঈদার দল। দুই ম্যাচে বাংলাদেশ কোন গোলেরও দেখা পায়নি।
এ ম্যাচ নিয়ে আশাবাদী উজবেকিস্তানও, দলটির কোচের কণ্ঠে, ‘আরও একটি রোমাঞ্চকর ম্যাচ হতে চলেছে, যা গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচ। ম্যাচটি আমাদের এবং প্রতিপক্ষের জন্য অনেককিছু নির্ধারণ করবে। সহজ খেলার আশা করছি না। আমরা প্রতিপক্ষ সম্পর্কে জানি, তারা কতটা সংকল্পবদ্ধ এবং গতিশীল। খেলাটিকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে নিচ্ছি এবং যতটা সম্ভব সেরা পারফর্ম করার জন্য সেরা প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
‘দুদলই প্রথম দুটি ম্যাচ হেরেছে। আমরা চ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধে খেলেছি, তাই জানি কী মোকাবিলা করতে হয়েছে। আর বাংলাদেশের মুখোমুখি হচ্ছি। তাদের গতিশীল খেলোয়াড় আছে, বিশেষ করে স্ট্রাইকাররা।’








