মেয়েদের এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচের প্রথমার্ধে তুর্কমেনিস্তানকে ৭ গোল দিয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ২০ মিনিটে ৬ গোল হজম করে গোলকিপার বদল করে মধ্য এশিয়ার দেশটি। জোড়া গোল করেছেন ফরোয়ার্ড ঋতুপর্ণা চাকমা ও শামসুন্নাহার জুনিয়র। একটি করে গোলের দেখা পেয়েছেন স্বপ্না রাণী, ঋতুপর্ণা চাকমা, তহুরা খাতুন, মনিকা চাকমা।
মায়ানমারের কাছে বড় ব্যবধানে হারা তুর্কমেনিস্তানের বিপক্ষে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল বাংলাদেশ। ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই আসে গোল, ডি বক্সের বাইরে থেকে দূরপাল্লার শটে টপকর্নার দিয়ে গোল বন্যার সূচনা করেন মিডফিল্ডার স্বপ্না রাণী। ম্যাচে প্রথমবার ১-০ গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ।
ষষ্ঠ মিনিটের সময় লেফট উইং থেকে মনিকা চাকমার পাসে ম্যাচের দ্বিতীয় গোল করেন ফরোয়ার্ড শামসুন্নাহার জুনিয়র। ২-০ গোলে এগিয়ে যায় আফঈদা খন্দকারের দল। ১৩ মিনিটের সময় নিজের দ্বিতীয় ও বাংলাদেশের তৃতীয় গোল করেন শামসুন্নাহার, ৩-০ গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ।
ম্যাচের চতুর্থ গোল আসতে খুব একটা সময় লাগেনি। ১৬ মিনিটের সময় চতুর্থ গোল করেন আরেক মিডফিল্ডার মনিকা চাকমা। ১৭ মিনিটে বাংলাদেশের পক্ষে আসে আরেক গোল। এবার গোল করেন আগের ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় ফরোয়ার্ড ঋতুপর্ণা চাকমা।
ম্যাচের ষষ্ঠ গোল আসে ২০ মিনিটের সময়, গোল করেন বাংলাদেশ দলের ফরোয়ার্ড তহুরা খাতুন। পরের ২০ মিনিট তুর্কমেনিস্তান কিছুটা গুছিয়ে নেয়, ধীরে সুস্থে খেলার পরও ৪০ মিনিটে আরেকটি গোল হজম করে। এ গোল করেন ফরোয়ার্ড ঋতুপর্ণা চাকমা। পরে ওই ব্যবধান রেখেই বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।







