চট্টগ্রাম টেস্টে বাংলাদেশকে ৫১৩ রানের লক্ষ্য দিয়েছে ভারত। ২৫৪ রানে এগিয়ে থেকে ব্যাট করতে নামা সফকারীদের টপঅর্ডার দেখায় দৃঢ়তা। ওপেনার শুভমন গিল ও চেতেশ্বর পূজারার সেঞ্চুরিতে ২ উইকেটে ২৫৮ রান তুলে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে লোকেশ রাহুলের দল। বিশাল লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ তৃতীয় দিন শেষে কোনো উইকেট না হারিয়ে তুলেছে ৪১ রান।
নাজুমল হোসেন শান্ত ২২ ও জাকির হাসান ১৯ রানে অপরাজিত আছেন। তারা ব্যাট করেছেন ১২ ওভার। বাংলাদেশ পিছিয়ে ৪৭২ রানে।
দুই সেঞ্চুরিতে ভারতকে নিয়ে যায় চালকের আসনে। ১৫২ বলে ১০০ রানের ইনিংস খেলে মেহেদী হাসান মিরাজের বলে আউট হন শুভমন। ১৩০ বলে ১০২ রানে অপরাজিত থাকেন পূজারা। তৃতীয় দিনের পড়ন্ত বিকেলে বাউন্ডারি মেরে এ ব্যাটার তিন অঙ্কে পৌঁছাতেই ইনিংস ঘোষণা করে ভারত।
তার আগে ১৫০ রানে শেষ হয় বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস। স্বাগতিকদের ফলো অন না করিয়ে আবার ব্যাটিংয়ে নামে ভারত।
৮ উইকেটে ১৩৩ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের সকালে খেলতে নেমে দেড়শ ছুঁয়ে অলআউট হয় বাংলাদেশ। মেহেদী হাসান মিরাজ করেন ২৫ রান।
১০২ রানে ৮ উইকেট পড়ার পর মেহেদী হাসান মিরাজ ও ইবাদত হোসেন মিলে দ্বিতীয় দিন পার করেন। ১৪৪ রানে ইবাদত আউট হলে বিচ্ছিন্ন হয় জুটি। ৪২ রানের জুটিটিই বাংলাদেশের ইনিংসের সেরা। ইবাদতের অবদান ১৭ রান।
তৃতীয় দিন এক শিকারের দেখা পেলে ৫ উইকেট নেয়ার কীর্তি গড়েন কুলদীপ যাদব। বাঁহাতি রিস্ট স্পিনার আগের দিন নেন ৪ উইকেট। পড়ন্ত বিকেলে জোড়া আঘাত হানেন তিনি। পেসার মোহাম্মদ সিরাজ ৩ উইকেট তুলে টপ ও মিডলঅর্ডারে ধস নামান। উমেশ যাদবের শিকার একটি উইকেট।
ব্যাটিংয়ে নেমে সিরাজের প্রথম বলেই উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন নাজমুল হোসেন শান্ত (০)। উমেশ যাদবের বলে স্টাম্প উপড়ে যায় ইয়াসির আলী চৌধুরীর (৪)। ৫ চারে ৩০ বলে ২৪ রান করে ফেরেন লিটন দাস। দলীয় ৫৬ রানে ফেরেন অভিষিক্ত ওপেনার জাকির হাসান (২০)।
কুলদীপ বোলিংয়ে এসেই ফেরান সাকিব আল হাসানকে (৩)। এ স্পিনারের সাধারণ এক ডেলিভারিতে শর্ট লেগে ক্যাচ দেন নুরুল হাসান সোহান। ফেরার আগে করেন ১৬ রান। বাংলাদেশের ব্যাটিং ভরসা মুশফিকুর রহিম আউট হন দলের রান তিন অঙ্কে যাওয়ার পর। সর্বোচ্চ ২৮ রান আসে তার ব্যাট থেকে। কুলদীপের ওই ওভারেই ফেরেন তাইজুল ইসলাম (০)।








