এশিয়া কাপ খেলতে দেশ ছাড়ার আগে জাকের আলী অনিক-তাসকিন আহমেদরা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কথা বলে গেছেন দৃঢ় কণ্ঠে। হংকংয়ের বিপক্ষে ৭ উইকেটের জয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করে লিটন দাসের বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার কাছে বিধ্বস্ত হয়ে পরে বড় ধাক্কাই খেয়েছে টিম টাইগার্স। লঙ্কানদের কাছে হেরে সুপার ফোরে খেলার পথ কঠিন হলেও আশা ছাড়ছে না বাংলাদেশ।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে আবুধাবির জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শনিবার গ্রুপপর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টসে হেরে আগে ব্যাটে নেমেছিল বাংলাদেশ। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৩৯ রান তুলতে পারে। জবাবে ৩২ বল ও ৬ উইকেট হাতে রেখে জয়ে নোঙর করে শ্রীলঙ্কা।
শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ৬ উইকেটের হারে বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে নেট রানরেট। আফগানিস্তান, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ- প্রত্যেকের পয়েন্ট ২। কিন্তু নেগেটিভ নেট রানরেটের কারণে (-০.৬৫০) লিটনের দল ‘বি’ গ্রুপে টেবিলে তিনে আছে। প্রথম দুইয়ে থাকা আফগান ও লঙ্কার নেট রানরেট +৪.৭০ ও +২.৫৯৫।
বাজে হারের পর বাংলাদেশের প্রতিনিধি হয়ে কথা বলেন জাকের। ২৭ বর্ষী মিডল অর্ডার ব্যাটার বলেছেন, ‘আশা ছাড়ার কোন প্রশ্নই আসে না। আমরা ম্যাচ জেতার জন্যই খেলব। এই ম্যাচেও জেতার মানসিকতা নিয়ে আসছি। পরের ম্যাচেও আসব। এছাড়া আর উপায় নাই। আমরা তো টুর্নামেন্টে শুধু ম্যাচ খেলার জন্য আসিনি। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য এসেছি। এক ম্যাচ হারলেই ড্রপ করা যাবে না। পরের ম্যাচও জেতার জন্য যাব।’
ব্যাটিংয়ের সময় বাতাসের বেশ প্রভাব ছিল, দাবি জাকেরের। বলেছেন, ‘এটা মাথায় রাখতে হয়। দুই পাশে মারা যায় না। এক পাশে গ্রাউন্ডে বেশি খেলতে হয়। আরেক পাশে মারা যায় যে সাইডে বাতাস। আসলে এক কথা বারবার হয়ে যাচ্ছে। টপঅর্ডারের কথা। ওদের বেশি ব্লেইম দেয়া হয়ে যাচ্ছে। ভালো শুরু হলে এগুলা ঝুঁকিপূর্ণ মনে হতো না। যেহেতু হাতে এত উইকেট ছিল না, একটা সংগ্রহের জন্য এত ঝুঁকি নেয়া যাবে না।’
আগামী মঙ্গলবার বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান। সুপার ফোরে যাওয়ার আশা ধরে রাখতে তাদের বিপক্ষে জয়ের কোন বিকল্প নেই লাল-সবুজদের। এর বাইরে তাকিয়ে থাকতে হবে আফগান-লঙ্কা ম্যাচের দিকেও।








