সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলায় অন্তত ২ শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার কথা জানান মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার। তার এমন অযাচাইকৃত তথ্যে বক্তব্য সহিংসতাকে আরও উস্কে দিতে পারে বলে মনে করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গতকাল ১৫ জুলাই ওয়াশিংটন একটি নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ের সময় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলারের একটি প্রশ্নের জবাবে আমরা অত্যন্ত হতাশ।
‘যেখানে তিনি চলমান ছাত্র বিক্ষোভ থেকে কমপক্ষে ২ জনের মৃত্যুর কথা দাবি করেন। এই ধরনের ভিত্তিহীন দাবি করায় আমরা হতাশ হয়েছি। অযাচাইকৃত তথ্যের ব্যবহার সহিংসতাকে আরও উস্কে দিতে পারে। এছাড়াও এধরনের বক্তব্য অহিংস প্রতিবাদ বা আন্দোলনের অনুমতি দেওয়ার জন্য শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টাকে দুর্বল করতে পারে।’
‘মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং শান্তিপূর্ণ সমাবেশ আমাদের গণতন্ত্রের ভিত্তিপ্রস্তর এবং সরকার জনগণের সম্পত্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষা করার পাশাপাশি নাগরিকদের সেই অধিকারগুলোকে সমুন্নত রাখতে অবিচল থাকে।’
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গণতন্ত্র ও রাজনীতিতে সহিংসতার কোনো স্থান নেই। আমরা সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়ায় একটি শান্তিপূর্ণ সমাবেশে সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপর আক্রমণের ভয়াবহ প্রচেষ্টা দেখেছি। এ ঘটনায় আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। এ ধরনের সহিংসতা গণতন্ত্রের মূল মূল্যবোধের বিরুদ্ধে চলে।
ওই হামলার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী পৃথকভাবে নিন্দা জানিয়েছেন। এছাড়া ট্রাম্প নিরাপদে আছেন এবং সুস্থ হয়ে উঠছেন জেনে স্বস্তির নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।
গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।







