বাংলাদেশ ফুটবলের সব দলকে দুই বছরের জন্য জার্সি দেবে কিট স্পন্সর প্রতিষ্ঠান দৌড়। ছেলেদের জাতীয় দল, মেয়েদের জাতীয় দল এবং ছেলে-মেয়েদের বয়সভিত্তিক সব দলের জন্য চুক্তিটি প্রযোজ্য হবে। অনুশীলন এবং ট্রাভেল কিটও দেবে প্রতিষ্ঠানটি।
আপাতত ফিফার থেকে জার্সি সংক্রান্ত চুক্তির জন্য অনুমোদন চাইবে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। বাফুফের মিডিয়া কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলনে মঙ্গলবার তথ্যটি জানিয়েছেন বাফুফের মার্কেটিং কমিটির সভাপতি ফাহাদ করিম।
প্রতিষ্ঠানটির সাথে আপাতত দুই বছরের চুক্তি হলেও প্রতিবছর চুক্তির সবদিক মূল্যায়ন করবে দেশের ফুটবলের কর্তাসংস্থা। তখন চুক্তিটি বাফুফের জন্য ইতিবাচক মনে হলে পরবর্তীতে চুক্তির মেয়াদ আরও বাড়তে পারে। তবে অনুশীলন বা অন্যান্য জার্সির জন্য যে সকল প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি আছে তা বহাল থাকবে।
বাফুফের মার্কেটিং কমিটির চেয়ারম্যান ফাহাদ করিম জানিয়েছেন, ‘দৌড় বাংলাদেশ দলের সকল ধরনের জার্সি দেবে। এর জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে কোনো অর্থ দেয়া লাগবে না বাফুফের। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ দলের জার্সি বিক্রি করার অনুমোদন পাবে। সেখান থেকে অর্জিত লভ্যাংশের একটি অংশ বাফুফেকে দেবে। আমাদের হাতে আন্তর্জাতিক তিনটি এবং দেশীয় দুটি প্রতিষ্ঠান ছিল। অন্যসবার থেকে দৌড়ের প্রস্তাবনা আমাদের ভালো লেগেছে। তাছাড়া আমরা দেশীয় ব্র্যান্ডের বিষয়টির প্রতিও গুরুত্বারোপ করেছি।’
সংবাদ সম্মেলনে বাফুফের সভাপতি তাবিথ আউয়াল বলেন, ‘আমরা দায়িত্ব নেয়ার পর যে অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ ছিল তার মধ্যে একটি বাংলাদেশ দলের জন্য কিট স্পন্সর জোগাড় করা। আপাতত আমরা সেখানে সফল হয়েছি এবং দৌড়ের সাথে চুক্তি করছি। আমাদের পরিকল্পনা আছে জার্সি মার্চেন্ডাজিংয়ের মাধ্যমে লাভ করা।’
ফুটবল ফেডারেশনের নিজেদেরও জার্সি শপ চালুর পরিকল্পনা আছে দেশীয় ব্র্যান্ড দৌড়ের। বিভিন্ন ব্র্যান্ড আউটলেটেও করতে চান আলাদা কর্নার। জার্সি চুক্তির অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দৌড়ের প্রধান কার্যনির্বাহী ও বাফুফের নির্বাচিত কার্যনির্বাহী সদস্যরা।








