এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল বা আইএমএফ থেকে ১৩০ কোটি ডলার ঋণের বিষয়ে সংস্থাটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে। তবে এই সমঝোতায় সংস্থার নির্বাহী পরিষদের অনুমোদন পেতে হবে।
বুধবার (১৪ মে) এ বিষয়ে বিবৃতি দিয়ে এ বিষয়ে সমঝোতার কথা জানিয়েছে আইএমএফ। যদিও কর্মকর্তা পর্যায়ের বৈঠকে সমঝোতা হওয়ায় এ ঋণ বাংলাদেশ পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আইএমএফ চলতি বছরের জুনের মধ্যে চতুর্থ ও পঞ্চম কিস্তির জন্য নির্ধারিত এক দশমিক তিন বিলিয়ন মার্কিন ডলার একত্রে ছাড় করবে।
এতে বলা হয়, বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষার স্বার্থে সব বিষয় সতর্কতার সঙ্গে পর্যালোচনা করে উভয়পক্ষ রাজস্ব ব্যবস্থাপনা, মুদ্রা বিনিময় হারসহ অন্যান্য সংস্কার কাঠামো বিষয়ে সম্মত হয়েছে।
রাজস্ব ব্যবস্থাপনা এবং বিনিময় হার ব্যবস্থায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার বিষয়ে অধিকতর পর্যালোচনার লক্ষ্যে চতুর্থ রিভিউ সম্পন্ন হওয়ার পর উভয় রিভিউয়ের জন্য নির্ধারিত কিস্তির অর্থ একত্রে ছাড় করা হবে বলে বিগত তৃতীয় রিভিউয়ে সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
২০২৩ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশের জন্য ৪৭০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণের অনুমোদন দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ।
তখন সংস্থাটি বলেছিলো, পরবর্তী ৪২ মাস ধরে মোট সাত কিস্তিতে এই ঋণ পাবে বাংলাদেশ। ঋণের গড় সুদ হবে দুই দশমিক দুই শতাংশ।
এ কর্মসূচির আওতায় ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত তিনটি কিস্তিতে ২৩১ কোটি ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ।
এরপর চতুর্থ কিস্তি আর ছাড় করেনি সংস্থাটি। পরে সরকারের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনা হয় এর কর্মকর্তাদের।
শেষ পর্যন্ত ১৩০ কোটি ডলার অর্থ ছাড়ের বিষয়ে সমঝোতার কথা জানালো আইএমএফ ও বাংলাদেশ সরকার।








