২০২২ সালের এপ্রিলে প্রথম সপ্তাহে ডারবানে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে সবশেষ টেস্ট খেলেছিলেন সাদমান ইসলাম। প্রায় আড়াই বছর পর জাতীয় দলে ফিরে রাওয়ালপিন্ডিতে দারুণ করেছেন বাঁহাতি ব্যাটার। ওপেনিংয়ে নেমে একপ্রান্ত আগলে রেখে সেঞ্চুরির পথে হাঁটছিলেন। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি থেকে ৭ রান দূরে আটকে গেছেন, শিকার হন পাকিস্তান পেসার মোহাম্মদ আলির।
৬৬ ওভারের শেষ বলে মোহাম্মদ আলি গুড লেন্থের ডেলিভারিতে শট খেলতে চেয়েছিলেন সাদমান। লাইন মিস করায় বল আঘাত হানে স্টাম্পে। ১৮৩ বলে ৯৩ রান করে ফিরে যান টাইগার ওপেনার। ইনিংসে ছিল ১২ চারের মার। টেস্টের তৃতীয় দিনে চা বিরতির আগে ৪ উইকেটে ১৯৯ রান তুলেছে বাংলাদেশ। ৩৮ বলে ১৫ রানে ক্রিজে আছেন মুশফিকুর রহিম।
সকালে দ্রুত দুই উইকেট হারায় টিম টাইগার্স। দিনের পঞ্চম ও ইনিংসের ১৭তম ওভারে সাজঘরে ফেরেন আগের দিন অপরাজিত থাকা জাকির হাসান। ৫৮ বল খেলে ১২ রান করেন বাঁহাতি ওপেনার, মেরেছেন একটি বাউন্ডারি। তার বিদায়ে ৩১ রানে প্রথম উইকেট হারায় লাল-সবুজের দল।
দলীয় ৫৩ রানে ফিরে যান নাজমুল হোসেন শান্ত। ২৭তম ওভারের শেষ বলে খুররাম শাহজাদের ডেলিভারিতে ডিফেন্স করার চেষ্টা করেন শান্ত। বল ব্যাটের ফাঁক গলে সরাসরি স্টাম্পে আঘাত হানে, বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন বাঁহাতি ব্যাটার। ৪২ বল খেলে ১৬ রান করার পথে দুটি চার মারেন অধিনায়ক।
তৃতীয় উইকেট জুটিতে ঘুরে দাঁড়ান সাদমান ও মুমিনুল হক। রানের গতি কিছুটা বাড়িয়েছেন দুজনে। ১৪৭ রানে মুমিনুলের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। মধ্যাহ্ন বিরতির পর ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি। ক্যারিয়ারের ১৯তম ফিফটির পরপরই খুররাম শাহজাদের বলে বোল্ড হয়ে ফিরে যান তারকা বাঁহাতি ব্যাটার।
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথমটিতে বুধবার টসে জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটের আমন্ত্রণ জানান বাংলাদেশ অধিনায়ক শান্ত। ম্যাচের দ্বিতীয় দিন ৬ উইকেটে ৪৪৮ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে স্বাগতিক দল। ডাবল সেঞ্চুরি থেকে ২৯ রান দূরে ছিলেন রিজওয়ান (১৭১*)। তার ব্যক্তিগত মাইলফলকের জন্য অপেক্ষা করেননি শান মাসুদ। সেঞ্চুরি করেছেন সৌদ শাকিলও (১৪১)। দ্বিতীয় দিনের শেষবেলায় বাংলাদেশ কোনো উইকেট না হারিয়ে ২৭ রান সংগ্রহ করেছিল।







