টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দুটি ম্যাচ খেলতে পাকিস্তানে আছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ২১ আগস্ট রাওয়ালপিন্ডিতে গড়াবে প্রথম টেস্ট। মূলত দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক না থাকায় আগেই পাকিস্তানে গেছে টিম টাইগার্স। সেরে নিচ্ছে প্রস্তুতি। নাজমুল হোসেন শান্তদের বিপক্ষে স্বীকৃত এক স্পিনার নিয়ে দল দিয়েছে পাকিস্তান। এক স্পিনার কেন, এমন প্রশ্ন ওঠার ব্যাখ্যা দিয়েছেন পাকিস্তানের টেস্ট কোচ জেসন গিলেস্পি।
বাংলাদেশের বিপক্ষে দলে বোলার হিসেবে আছেন আমের জামাল, আবরার আহমেদ, খুররম শেহজাদ, মির হামজা, মোহাম্মদ আলী, নাসিম শাহ ও শাহিন শাহ আফ্রিদি। প্রয়োজনে বল করতে পারেন আগা সালমান, সাইম আইয়ুব ও সৌদ শাকিল। তবে দলে একমাত্র স্বীকৃত স্পিনার আবরার আহমেদ।
গিলেম্পির মতে স্বাগতিক দলটি যথেষ্ট ভারসাম্যপূর্ণ। অস্ট্রেলিয়ার সাবেক পেসারের মতে, দলে দুজন স্পিনার আছেন। মূলত আগা সালমানকে স্পিনার বিবেচনা করেছেন তিনি।
বলেছেন, ‘দলের যেকোনো বিভাগেই নজর দিতে পারেন। তবে শুরুতেই বলি, আমাদের দলে দুজন বিশেষায়িত স্পিনার আছে। সালমান আলি আগা বিশেষায়িত স্পিনার হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার যোগ্য। যতটুকু দেখেছি, অফ স্পিনে তার যথেষ্ট সামর্থ্য আছে। আবরার নিঃসন্দেহে ক্যারিয়ারের শুরুর পর্যায়ে, দারুণ একজন তরুণ বোলার।’
‘আমরা যথেষ্ট প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। আমাদের সিম বোলিংয়ে বিকল্প অনেক এবং স্পিন বোলিংয়েও। ব্যাটিংও সবদিক দিয়ে পরিপূর্ণ। আমার বিশ্বাস আমরা সব বিভাগেই সামর্থ্যবান। পাকিস্তানের টেস্ট দলের জন্য এটি খুবই রোমাঞ্চকর সময় হতে চলেছে।’
এদিকে বাংলাদেশের বিপক্ষে পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণ কেমন হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন আছে। রাওয়ালপিন্ডিতে পেস–সহায়ক কন্ডিশন থাকবে বলে পাকিস্তান খেলাতে পারে চার পেসার। সেক্ষেত্রে শাহিন শাহ আফ্রিদি, নাসিম শাহর সঙ্গে মির হামজার জায়গা নিশ্চিত হতে পারে। চতুর্থ পেসার হিসেবে আসতে পারেন খুররম শেহজাদ বা মোহাম্মদ আলীর একজন। চার পেসার খেলালে দলে একমাত্র স্পিনার থাকতে পারেন সালমান।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম বলছে, রাওয়ালপিন্ডিতে পিচ ফাস্ট বোলারদের অনুকূলে থাকতে পারে। তেমন হলে পাকিস্তানের প্রথম টেস্টের একাদশে দেখা যেতে পারে চার পেসার। শাহিন আফ্রিদি, নাসিম শাহ ও মির হামজা মোটামুটি নিশ্চিত। চতুর্থ পেসার হিসেবে খুররম শেহজাদ কিংবা মোহাম্মদ আলিকে দেখা যেতে পারে। আর একমাত্র স্পিনার হিসেবে দলে থাকতে পারেন সালমান আগা।
আগামী ৩০ আগস্ট করাচিতে গড়াবে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টটি।








