বাংলাদেশের সামনে দুইশতাধিক রানের বড় চ্যালেঞ্জ দাঁড় করিয়ে বল হাতে দারুণ করেছেন হাসান আলি। পাকিস্তান পেসারের ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ে ৩৭ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। জয় দিয়ে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে সিরিজ শুরু পাকিস্তানের।
৩.২ ওভারে ৩০ রানে ৫ উইকেট নিয়েছেন হাসান আলি। এর আগে ৫১ টি-টুয়েন্টিতে তার সেরা বোলিং ফিগার ছিল ১৮ রানে ৪ উইকেট। ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করে ম্যাচসেরা হয়েছেন পাকিস্তান পেসার।
তিন ম্যাচ টি-টুয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাটে নামে পাকিস্তান। নির্ধারিত ওভার শেষে ৭ উইকেটে ২০১ রান করে স্বাগতিক দল। জবাবে নেমে ১৯.২ ওভারে ১৬৪ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ ব্যাটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ রান করেছেন লিটন দাস। টাইগার অধিনায়কের ব্যাট থেকে আসে ৪৮ রান। ৩০ বলের ইনিংসটিতে ছিল একটি চার ও তিনটি ছক্কার মার। একটি চার ও তিনটি ছক্কায় ২১ বলে ৩৬ রান করেন জাকের আলি অনিক। দুটি চার ও তিন ছক্কায় ১৭ বলে ৩১ রান আসে তানজিদের ব্যাট থেকে। ২২ বলে ১৭ রান করেন তাওহীদ হৃদয়। বাকিদের কেউই দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি।
হাসানের ৫ উইকেটের পাশাপাশি শাদাব খান নেন দুই উইকেট। খুশদিল শাহ, সালমান আঘা ও ফাহিম আশরাফ নেন একটি উইকেট।
এর আগে লাহোরে বল হাতে দারুণ শুরু পায় বাংলাদেশ। ৫ রানে পাকিস্তানের দুই ওপেনার সাইম আইয়ুব ও ফখর জামানের উইকেট তুলে নেয় টিম টাইগার্স। তৃতীয় উইকেটে মোহাম্মদ হারিস ও সালমান আঘার জুটিতে দারুণভাবে চাপ কাটিয়ে ওঠে পাকিস্তান। এই জুটিতে আসে ৪৮ রান।
সপ্তম ওভারে হারিস ফিরে গেলে জুটি ভাঙে। চারটি চার ও এক ছক্কায় ১৮ বলে ৩১ রান করেন তিনি। চতুর্থ উইকেটে হাসানকে নিয়ে আরও ৬৫ রান যোগ করেন সালমান। ১১তম টি-টুয়েন্টিতে নেমে পূর্ণ করেন ক্যারিয়ারের তৃতীয় ফিফটি। আটটি চার ও এক ছক্কায় ৩৪ বলে ৫৬ রান করে আউট হয়ে ফিরে যান পাকিস্তান অধিনায়ক। সালমানের ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস এটি। আগে সর্বোচ্চ ৫১ রান করেছিলেন তিনি।
১১৮ রানে চতুর্থ উইকেট হারানোর পর হাসান নাওয়াজ ও শাদাব খান যোগ করেন আরও ২১ রান। ১২তম ওভারের শেষ বলে নাওয়াজ ফিরে যান দুটি চার ও চারটি ছক্কায় ২২ বলে ৪৪ রান করে। ১৭তম ওভারে ষষ্ঠ উইকেট হারায় পাকিস্তান। খুশদিল শাহ ফিরে যান ৫ রান করে।
ফাহিম আশরাফকে নিয়ে আরও ৫০ রান যোগ করেন শাদাব খান। দলীয় দুইশ রান পূর্ণ করে ইনিংসের ১ বল বাকি থাকতে ফিরে যান শাদাব। পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কায় ২৫ বলে ৪৮ রান করেন। পরে ফাহিম ও হাসান আলি ইনিংস শেষ করেন।
বাংলাদেশ বোলাদের মধ্যে শরিফুল ইসলাম দুই উইকেট নেন। শেখ মেহেদী, হাসান মাহমুদ, তানজিম সাকিব, রিশাদ হোসেন ও শামীম পাটোয়ারি নেন একটি করে উইকেট।








