প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে অল্প রানে আটকে দিতে পারলেও দ্বিতীয়টিতে খুব বেশি সুবিধা করতে পারেনি বাংলাদেশ। লাল-সবুজদের বিপক্ষে শুরু থেকে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে পৌনে তিনশর সংগ্রহ গড়েছে শাহীন শাহ আফ্রিদির দল। এক ম্যাচ হাতে রেখে ১১ বছর পর পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জিততে মিরাজ-লিটনদের চাই ২৭৫ রান।
বাংলাদেশ-পাকিস্তান ওয়ানডে সিরিজের খেলা ডাচ-বাংলার সৌজন্যে সরাসরি দেখাচ্ছে ওটিটি প্লাটফর্ম আইস্ক্রিন, ধারাভাষ্য প্রচার করছে রেডিও ভূমি।
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুক্রবার টসে জিতে পাকিস্তানকে আগে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানান অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। ব্যাটে নেমে ৪৭.৩ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ২৭৪ রানের পুঁজি পায় সফরকারী দল।
প্রথম ম্যাচেও ৫০ ওভার খেলতে পারেনি পাকিস্তান। ৩০.৪ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে কেবল ১১৪ রান তুলতে পারা। দ্বিতীয় ম্যাচের শুরু থেকে রান তোলায় মনোযোগ দেন ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ও মাজ সাদাকাত। বাংলাদেশের পেসারদের এলোমেলো বোলিংয়ের সুবিধা কাজে লাগিয়েছেন মাজ। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে তুলে নেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি।
১০৩ রানের ওপেনিং জুটি ভেঙে মাজকে থামান মিরাজ। ৬ চার ও ৫ চারে ৪৬ বলে ৭৫ করে ফেরেন মাজ। বোর্ডে আর ১৮ রান যোগ করতে আরেক ওপেনার সাহিবজাদাকে ফেরান তাসকিন আহমেদ। ২ চারে ৪৬ বলে ৩১ রান করেন তিনি। এক ওভার পর ৬ রান করা শামিল হুসেনকে সাজঘরের পথ দেখান প্রথম ম্যাচে পাঁচ উইকেট শিকার করা নাহিদ রানা।
চতুর্থ উইকেট জুটিতে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলী আঘার ব্যাটে আসে ১০৯ রান। রানআউট করে জুটি ভাঙেন মিরাজ। ৬২ বলে ৬৪ রান করেন তিনি। একই ওভারে আউট হন রিজওয়ান। ৪৪ রান আসে তার ব্যাট থেকে।
বড় পুঁজির দিকে পাকিস্তান এগোতে থাকলেও মাঝে ৯ রান করা হুসাইন তালাতকে ফেরান রিশাদ হোসেন। ১১ রান করা আব্দুল সামাদকে রানআউট করেন আফিফ। শেষদিকে ফাহিম আশরাফ ১৪, শাহীন শাহ আফ্রিদি ৩ ও মোহাম্মদ ওয়াসিম ১ রানে আউট হলে থামতে হয় পাকিস্তানকে।
রিশাদ হোসেন ৩ উইকেট করেন ৫৬ রানে ৯.৩ ওভার বল করে। মেহেদী মিরাজ নেন ২ উইকেট ৩৪ রানে, ১০ ওভার বল করে। এছাড়া একটি করে উইকেট শিকার করেন তাসকিন, মোহস্তাফিজ ও নাহিদ রানা।








