২০২৫ সালে লর্ডসে আইসিসি চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল গড়াবে। পূর্ব নির্ধারিত এ ফাইনালে যাবে দুটি দল যারা জয়ের শতাংশে টেবিলে সবার চেয়ে এগিয়ে থাকবে। এ চ্যাম্পিয়নশিপের বাকি অংশের সূচি প্রকাশ করেছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি।
পয়েন্ট টেবিলের সাতে আছে বাংলাদেশ এবং সবশেষ পাকিস্তানের বিপক্ষে জয় পেয়েছে দলটি। পাঁচ ম্যাচ খেলা বাংলাদেশের জয় দুটি এবং হার তিনটিতে। টাইগারদের পয়েন্ট ২১ হলেও জয়ের শতাংশ ৩৫.০০। পাকিস্তানের বিপক্ষে চলমান সিরিজ শেষে সেপ্টেম্বরে ভারতের বিপক্ষে দুটি ম্যাচ খেলবে টিম টাইগার্স। ১৯ তারিখ চেন্নাইয়ে প্রথম টেস্ট এবং ২৭ তারিখ কানপুরে গড়াবে দ্বিতীয়টি।
বাংলাদেশের পরবর্তী সিরিজ প্রোটিয়াদের বিপক্ষে খেলার কথা থাকলেও এখনও সূচি নির্ধারিত হয়নি। তবে নভেম্বর এবং ডিসেম্বর মাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজে দুটি ম্যাচ দিয়ে বাংলাদেশের এবারের চ্যাম্পিয়নশিপের আসর শেষ হবে। ২২ নভেম্বর নর্থসাউন্ডে প্রথম টেস্ট এবং ৩০ নভেম্বর কেনসিংটন ওভালে গড়াবে দ্বিতীয় টেস্ট।
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের টেবিলে সবার উপরে অবস্থান ভারতের। দলটি এখন পর্যন্ত নয় ম্যাচ খেলে ছয় জয় ও দুই হারে ৭৪ পয়েন্ট অর্জন করেছে। জয়ের শতাংশ ৬৮.৫২ হওয়ায় সবার উপরে তাদের অবস্থান। ভারত আরও ১০টি ম্যাচ খেলবে যার প্রথম দুটি বাংলাদেশে বিপক্ষে। টাইগারদের বিপক্ষে সিরিজ শেষে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে তিন টেস্ট। অক্টোবরের ১৬ তারিখ থেকে শুরু হয়ে শেষ হবে নভেম্বরের ৫ তারিখে। সবশেষ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফি সিরিজে পাঁচটি ম্যাচ খেলবে ভারত। নভেম্বরের ২২ তারিখ থেকে শুরু হয়ে জানুয়ারির ৭ তারিখে শেষ হবে।
টেবিলের দুইয়ে থাকা অস্ট্রেলিয়ার পয়েন্ট ৯০। পয়েন্ট সবার চেয়ে বেশি হলেও জয়ের শতাংশ ৬২.৫০ হওয়ায় ভারতের পরে তাদের অবস্থান। এখন পর্যন্ত খেলা ১২ ম্যাচের আটটিতে জয় তাদের, হেরেছ তিনটিতে এবং ড্র করেছে একটি ম্যাচে। অজিদের বাকি সাত ম্যাচ, ভারতের বিপক্ষে বর্ডার-গাভাস্কার সিরিজের পর শ্রীলঙ্কা বিপক্ষে দুটি ম্যাচ খেলবে। ওই সিরিজের সূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
তিনে থাকা নিউজিল্যান্ডের তিন জয় ও তিন হার রয়েছে। দলটির পয়েন্ট ৩৬ এবং জয়ের শতাংশ ৫০.০০। কিউইদের এখনও আটটি ম্যাচ বাকি যা সেপ্টম্বরের ১৮ তারিখ থেকে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে। এরপর অক্টোবরের ১৬ তারিখে ভারতের বিপক্ষে তিন ম্যাচ এবং নভেম্বরের ২৮ তারিখ থেকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজ খেলবে। সিরিজটি ১৮ ডিসেম্বর শেষ হবে।
এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছে ইংল্যান্ড ১৪টি। যার মধ্যে জয় সাতটিতে, হার ছয়টিতে এবং এক ম্যাচ ড্র করেছে। পয়েন্ট ৬৯ হলেও জয়ের শতাংশ মাত্র ৪১.০৭। দলটি এখনও পাঁচটি ম্যাচ খেলবে যার প্রথম সিরিজ হবে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই ম্যাচের। আগস্টের ২৯ তারিখ শুরু হয়ে চলবে সেপ্টম্বরের ১০ তারিখ পর্যন্ত। এরপর পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজ খেলবে, যা শুরু হবে অক্টোবরের ৭ তারিখ এবং শেষ হবে একই মাসের ২৮ তারিখ।
টেবিলের পাঁচে আছে শ্রীলঙ্কা এবং তাদের বাকি আট ম্যাচ। চার সিরিজে দুটি করে ম্যাচ খেলবে লঙ্কান দল। ২৯ আগস্ট ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে তা। এরপর সেপ্টম্বরের ১৮ তারিখ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে, নভেম্বরে সাউথ আফ্রিকা এবং সবশেষ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুটি ম্যাচ খেলবে। অজিদের বিপক্ষের সিরিজের সময়সূচি পরবর্তীতে ঘোষণা করা হবে।
সাউথ আফ্রিকা চ্যাম্পিয়নশিপ টেবিলের ছয়ে এবং তাদের বাকি ছয় ম্যাচ। তিন সিরিজে দুটি করে ম্যাচ খেলবে প্রোটিয়ারা। যার প্রথম দুই ম্যাচ হবে বাংলাদেশের বিপক্ষে। সিরিজটির সময়সূচি এখনও নির্ধারিত হয়নি। নভেম্বরে দুটি ম্যাচ খেলবে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এবং ডিসেম্বরে পাকিস্তানের বিপক্ষে দুটি ম্যাচ দিয়ে আসর শেষ হবে প্রোটিয়াদের।








