বোলাররা দারুণ করেছিলেন। পাকিস্তানকে ১৩৫ রানে আটকায় বাংলাদেশ। তবে ব্যাটিং ব্যর্থতা দেখেছে টিম টাইগার্স। ১১ রানে হেরে এশিয়া কাপের চলতি আসর শেষ করেছে বাংলাদেশ। সুপার ফোরে দুই ম্যাচে জিতে ফাইনালে পাকিস্তান। এশিয়া কাপের ইতিহাসে প্রথমবার ফাইনালে মুখোমুখি হবে ভারত ও পাকিস্তান।
বৃহস্পতিবার আরব আমিরাতের দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটে পাঠায় বাংলাদেশ। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৮ উইকেটে ১৩৫ রান সংগ্রহ করেছে পাকিস্তান। জবাবে নেমে ৯ উইকেটে ১২৪ রানে থামে বাংলাদেশ।
লক্ষ্যতাড়ায় নেমে বাংলাদেশ শুরু থেকেই চাপে পড়ে। ইনিংসের পঞ্চম বলে ইমন ফিরে যান খালি হাতে। ২৩ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ। হৃদয় ফেরেন ১০ রান করেন। ২৯ রানে সাইফ ফিরে যান। ১ চার ও ২ ছক্কায় ১৫ বলে ১৮ রান করেন।
৪৪ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় টিম টাইগার্স। শেখ মেহেদী ফেরেন ১০ বলে ১১ রান করে। ৬৩ রানে পঞ্চম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। সোহান ফেরেন ২১ বলে ১৬ রান করে। ৭৩ রানে জাকের ফিরে যান। বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক করেন ৯ বলে ৫ রান।
পরে তানজিম সাকিবকে নিয়ে শামীম যোগ করেন ২৪ রান। ৯৭ রানে শামীম ও তানজিম দুজনে ফিরে যান। শামীম ২ ছক্কায় ২৫ বলে ৩০ রান করেন। সাকিব ১১ বলে ১০ রান করেন। এরপর তাসকিন ফেরেন ৪ রান করে। শেষ অবধি বাংলাদেশের ইনিংস থামে ১২৪ রানে। রিশাদ ১৬ রান করেন।
পাকিস্তানের হয়ে হারিস রউফ ও শাহিন শাহ আফ্রিদি ৩টি করে উইকেট নেন। সাইম আইয়ুব নেন ২ উইকেট।
এর আগে পাকিস্তানকে ব্যাটে পাঠিয়ে শুরু থেকে চেপে ধরে টাইগার বোলাররা। প্রথম ওভারেই সাফল্য পায় বাংলাদেশ। ৪ রানে সাহিবজাদা ফারহানকে সাজঘরে ফেরান তাসকিন আহমেদ, ক্যাচ তুলে দেন রিশাদ হোসেন হাতে। ৪ বলে ৪ করে ফিরেন তিনি। এ উইকেট নিয়ে তাসকিন টি-টুয়েন্টিতে তৃতীয় বাংলাদেশি বোলার হিসেবে ১০০ উইকেটের মাইলফলকে পৌঁছান। তার আগে এই কীর্তি গড়েন সাকিব ও মোস্তাফিজ।
৫ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় পাকিস্তান। সাইম আইয়ুবকে রিশাদের ক্যাচ বানিয়ে ফেরান মেহেদী হাসান। কোন রান না করেই ফিরেন তিনি। ২৯ রানে তৃতীয় উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। ২০ বলে ১৩ করে রিশাদের শিকার হন ফখর জামান। দলীয় ৩৩ রানে হুসাইন তালাতকে দ্বিতীয় শিকার বানান রিশাদ। ৭ বলে ৩ রান করেন তালাত।
৪৯ রানে পঞ্চম উইকেট হারায় পাকিস্তান। মোস্তাফিজের শিকার হন সালমান। ২৩ বলে ১৯ রান করেন। ৭১ রানে শাহিন শাহ আফ্রিদিকে ফেরান তাসকিন। তিনবার জীবন পেয়ে চতুর্থবার জাকেরের গ্লাভসে ধরা পড়েন। ১৩ বলে ১৯ রান করেন।
সপ্তম উইকেটে মোহাম্মদ হারিস এবং মোহাম্মদ নাওয়াজের ২৪ বলে ৩৮ রানের জুটি গড়েন। ১০৯ রানে ফিরতি ক্যাচে হারিসকে ফেরান মেহেদী। ২ চার ও ১ ছক্কায় ২৩ বলে ৩১ রান করেন। ১২০ রানে নাওয়াজকে নিজের তৃতীয় শিকার বানান তাসকিন। ১ চার ও ২ ছক্কায় ১৫ বলে ২৫ রান করেন। পরে ফাহিম আশরাফ ও হারিস রউফ মিলে ইনিংস শেষ করেন। ফাহিম ১৪ এবং হারিস ৩ রানে অপরাজিত থাকেন।
বাংলাদেশ বোলারদের মধ্যে তিন উইকেট নেন তাসকিন। রিশাদ এবং মেহেদী দুটি করে উইকেট নেন। মোস্তাফিজ নেন একটি উইকেট।







