এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
দুদিন পর ভারত-শ্রীলঙ্কায় গড়াবে ছেলেদের ২০২৬ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ। নিরাপত্তা ইস্যুতে ভারতে খেলছে না বাংলাদেশ। আইসিসিকে জানানোর পরও ভেন্যু বদলায়নি সংস্থাটি। পরে বাংলাদেশের জায়গায় বিকল্প দল নিয়েছে। এই ইস্যুতে পাকিস্তানকে পাশে পেয়েছে বিসিবি, প্রতিবাদে দেশটি গ্রুপপর্বে ভারতের বিপক্ষে খেলবে না। বাংলাদেশের সিদ্ধান্তে অনড় থাকা ও পাকিস্তানের সমর্থন, দুটিকেই বেশ পছন্দ করেছেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক নাসের হুসেইন।
এক ঘণ্টার অনুষ্ঠানে অনেক বিষয়ে নাসের আলাপ করেছেন সাবেক সতীর্থ মাইকেল আথারটনের সাথে। বাংলাদেশের বিশ্বকাপে না যাওয়ার অনড় সিদ্ধান্তে তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশ অস্ত্র ধরেই রেখেছে (ভারতে না খেলার বিষয়ে), এটা আমার খুব পছন্দ হয়েছে। তারা তাদের খেলোয়াড় ফিজের পক্ষে দাঁড়িয়েছে। আমি পাকিস্তানকেও খুব পছন্দ করেছি। জানি এটা রাজনৈতিক। তবুও পাকিস্তান বাংলাদেশের পক্ষে দাঁড়িয়েছে, এটা আমার খুব পছন্দ হয়েছে। এক পর্যায়ে, কেউ বলবে যথেষ্ট রাজনীতি হয়েছে, আমরা কী এখন ক্রিকেট খেলতে পারি?’
‘লজিস্টিক বিষয়গুলো আগের থেকেই করা থাকে। তাই শেষমুহূর্তে বিশ্বকাপে একটা দেশে খেলতে না যাওয়ার বিষয়টির উত্তর আইসিসি দিতে পারবে। তবে এখানে পার্থক্য করার একটি বিষয় থাকে। যদি ভারত ভবিষ্যতে কোন বিশ্বকাপের একমাস আগে বলে আমাদের সরকার আয়োজক দেশে যেতে দেবে না। তখন আইসিসি এতটা দৃঢ়ভাবে বলবে? তোমরা নিয়ম জানো, দুর্ভাগ্য আমরা তোমাদের বের করে দিচ্ছি। সবার একমাত্র প্রশ্নটি হল, ধারাবাহিকতা। আইসিসিকে বাংলাদেশের সাথে তেমনি আচর করতে হবে যেমনটা তারা পাকিস্তান কিংবা ভারতের সাথে করে।’
ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইংলিশ সাবেক বলেছেন, ‘ভারতীয় ভক্তরা বলবে, তোমরা আরও কাঁদো, আমাদের টাকা আছে। ক্ষমতা আছে। যখন কারও ক্ষমতা থাকে তার দায়িত্ব বাড়ে, কিন্তু এভাবে বাংলাদশ বা পাকিস্তানকে বের করতে থাকলে তাদের ক্রিকেটের মান কমতে থাকবে।’
‘এমনকি ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে রাজনীতি ছড়িয়ে পড়েছে। আইপিএল মালিকদের মালিকানাধীন (বিশ্বব্যাপী) ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো পাকিস্তানি এবং বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের বেছে নেবে না। আমি দ্য হান্ড্রেডকে জানি, আমার মনে হয় ইসিবি, যদি ঠিক বলে থাকি, তারা বলেছে যে এটির উপর নজর রাখবে এবং নিশ্চিত করবে যে তারা সেখানে খেলতে পারবে।’








