বাংলাদেশের বাঁচামরার লড়াইয়ে প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড। সেমিফাইনাল খেলার স্বপ্নপূরণের পথ খোলা রাখতে নাজমুল হোসেন শান্তদের জয়ের বিকল্প নেই। কিউইরা জিতলে ‘এ’ গ্রুপ থেকে ভারতের সঙ্গে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সেমিতে উঠে যাবে। ভারত সেখানে সেমিতে দেড়-পা দিয়েই রেখেছে।
পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড। রাওয়ালপিন্ডি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সোমবার বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩টায় মাঠে গড়াবে মহারণ।
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভারতের কাছে হেরে আসর শুরু করেছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে লাল-সবুজদের প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির নয় আসরে এপর্যন্ত দুদলের দেখা হয়েছে দুবার। প্রথমবার ২০০২ আসরে ১৬৭ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের দলের দেয়া ২৪৪ রানের লক্ষ্যে নেমে খালেদ মাসুদরা কেবল ৭৭ রানে সব উইকেট হারান।
২০১৭ সালে কার্ডিফে নিউজিল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সেমিতে খেলেছিল বাংলাদেশ। আইসিসির যেকোনো টুর্নামেন্টে এপর্যন্ত সেটাই টাইগারদের সেরা সাফল্য। ফাইনালে ওঠার মঞ্চে ভারতের সঙ্গে হেরে বিদায় নিয়েছিল টিম টাইগার্স।
ওয়ানডেতে এপর্যন্ত দুদলের ৪৫ বারের দেখায় জয়ের পাল্লা ভারি নিউজিল্যান্ডের। কিউইদের ৩৩ জয়ের বিপরীতে বাংলাদেশের জয় ১১টিতে। অন্যটি পরিত্যক্ত হয়েছে। ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ যাত্রার পর থেকে ২০১১ আসর ছাড়া সব আসরেই নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে দেখা হয়েছে টাইগারদের। বিশ্বকাপে পাঁচবারের দেখায় সবগুলোতে হেরেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।








