মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে যেকোনো ম্যাচের আগে উইকেট প্রসঙ্গ আসেই। পাকিস্তান সিরিজের প্রথম টেস্টের আগেও ব্যতিক্রম হল না। উইকেট নিয়ে বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত জানালেন, ভালো উইকেটের প্রত্যাশা করছেন। আর খারাপ হলেও অভিযোগ না করে বরং মানিয়ে নিতে প্রস্তুত টিম টাইগার্স।
শুক্রবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গড়াবে ডাচ-বাংলা ব্যাংক বাংলাদেশ-পাকিস্তান দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথমটি। আগেরদিন সংবাদ সম্মেলনে আসেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
উইকেট নিয়ে প্রত্যাশার কথায় শান্ত বললেন, ‘ভালো উইকেট হবে আশা করছি। যদি এখন দলটা দেখেন, মনে হয় বোলিং আক্রমণটাও অভিজ্ঞ। বেশ কয়েকজন ব্যাটার অনেকদিন ধরে খেলছে এই ফরম্যাটে। বিশেষ করে টেস্ট ক্রিকেটের ব্যাটারগুলো স্থিতিশীল আছে। বেশ কয়েকটা সিরিজ আমরা একসঙ্গে খেলছি। অভিজ্ঞতার দিক থেকে বলব, ভালো একটা দল।’
উইকেট যেমনই হোক, মানিয়ে নিতেও প্রস্তুত বাংলাদেশ। শান্ত বললেন, ‘উইকেট যেরকমই থাকুক, ভালো পেসার এবং ভালো স্পিনার দুদিকেই আছে। স্পোর্টিং উইকেট থাকলে আমাদের জন্য ভালো। কিন্তু একটা বিষয়, আগামীকাল বা সামনের পাঁচদিনে কী হবে উইকেটের, এটা আসলে আবহাওয়ার উপর অনেকটা নির্ভর করবে। ওই অনুযায়ী মানিয়ে নেয়ার বিষয়গুলো আমাদের করতে হবে। মনে করি, ব্যাটার-বোলার আমার দলে আছে, তারা পরিস্থিতি অনুযায়ী মানিয়ে নিতে সক্ষম।’
বাংলাদেশের ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মাঠ শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে। যার উইকেট কিছুটা ধীরগতির। এখানে পারফর্ম করতে ব্যাটারদের বেগ পেতে হয়। উইকেটের প্রভাব পড়ে ব্যাটারদের স্ট্রাইক রেটে। শান্তর মতে, আগে-পরে কিছুটা প্রভাব পড়লেও উইকেটের উন্নতির সঙ্গে ব্যাটারদের গড়েও পরিবর্তন আসবে।
‘মন খারাপ করার কিছু নাই (গড়, স্ট্রাইক রেট নিয়ে)। মিরপুরে তো সবসময় চ্যালেঞ্জ ছিল। অনেক চ্যালেঞ্জ নিয়ে ব্যাটিং করতে হয়েছে সবসময়। যদি ভালো উইকেটে খেলতাম বা আগে যারা খেলেছে, তারা যদি ভালো উইকেটে খেলত, অবশ্যই তাদের গড় বা স্ট্রাইক রেট আরেকটু ভালো হতো। ওটা আসলে খেলোয়াড়দের নিয়ন্ত্রণে নেই।’
কন্ডিশন যাই হোক, মানিয়ে নিতে প্রস্তত বাংলাদেশ। টাইগার অধিনায়ক বললেন, ‘যেরকম কন্ডিশনই থাকুক, সে অনুযায়ী কত ভালো ব্যাটিং করা যায়, এটাই একজন ব্যাটার হিসেবে জরুরি। সম্প্রতি যদি মিরপুরের উইকেট দেখেন, বিশেষ করে সাদা বলের ক্রিকেটে, আমরা কয়েকটা সিরিজ খেললাম আগের থেকে অনেক ভালো উইকেটে। আশা করাই যায়, ধীরে ধীরে এই জায়গাতে ব্যাটাররা আরেকটু ভালো ব্যাটিং করতে পারবে। পাশাপাশি ব্যাটিং গড়টাও হয়তো সময়ের সঙ্গে পরিবর্তন হবে।’







