টেস্ট ক্যারিয়ারের ১১ ইনিংসে ছয়বারের মত শূন্যের দেখা পেয়েছেন মাহমুদুল হাসান জয়। অ্যান্টিগায় বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং ধ্বসের শুরুটাও তার হাতে। ক্যারিবিয়ান তোপে একে একে ব্যর্থ হয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত, মুমিনুল হক ও নুরুল হাসান। আশা জাগিয়ে ফিরেছেন তামিম ইকবাল।
২০১৮ সালের দুঃস্বপ্নই এক সময় সত্যি হওয়ার জোগাড় হয়েছিল। পাঁচ হাজার রানের মাইলফলক ছোঁয়ার দিনে তামিমের ২৯ রানে রক্ষা। আউট হওয়া ব্যাটারদের মাঝে দুই অঙ্ক ছুঁতে পেরেছেন শুধু লিটন দাশ। বাকি চারজন খুলতে পারেননি রানের খাতা। দলীয় পঞ্চাশ রানের আগেই (৪৫ রানে) ফিরেছেন শুরুর ছয় ব্যাটার।
অ্যান্টিগায় টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুর ওভারেই উইকেট হারায় সফরকারী দল। চোট কাটিয়ে ফেরা কেমার রোচকে নিজের উইকেট বিলিয়ে স্বাগতম জানান জয়। তিনে নামা শান্ত বুঝে ওঠার আগেই রোচের বল গুড়িয়ে দেয় স্ট্যাম্প। ৩ রানে দুই উইকেট হারানোর পর বিপর্যয় ঠেকাতে আসেন মুমিনুল হক।
অধিনায়কত্বের বোঝা মাথা থেকে ভালো শুরুর প্রত্যাশার বিপরীত প্রদর্শনী দেখিয়েছেন ‘লিটল ব্রাডম্যান’ খ্যাত মুমিনুল। ৬টি বল খেলতে পারলেও সদ্য সাবেক হওয়া টেস্ট নেতা খুলতে পারেননি রানের খাতা।
১৬ রানে ৩ উইকেট হারানোর দলকে ২৫ রানের জুটি গড়ে বিপদ কাটানোর আশা দেখাচ্ছিলেন তামিম-লিটন। মুশফিকুর রহিমের পর বাংলাদেশি ব্যাটার হিসেবে টেস্টে পাঁচ হাজার রানের ক্লাবে ওঠার পর আরও ১০ রান যোগ করতে পারেন ড্যাশিং এ ওপেনার। ৪৩ বলে ৪টি চারে ২৯ রানে আলঝারি জোসেফের বলে ডি সিলভাকে ক্যাচ দেন তিনি।
তামিম ফেরার পর পরই ড্রেসিংরুমের পথ ধরেন লিটন। ৩৩ বলে উইকেটরক্ষক ব্যাটারের থেকে আসে ১২ রান। দীর্ঘদিন পর দলে ফেরা নুরুল হাসানও খুলতে পারেননি রানের খাতা। অফ-স্ট্যাম্পের অনেক বাইরের বল প্যাডে আঘাত হানলে এলবি হয়ে ফেরেন তিনি। রিভিউ অবশ্য নিয়েছিলেন কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি।
ধ্বসের মুখে পড়া দলকে টেনে তুলতে এই মুহূর্তে ব্যাট করছেন সাকিব আল হাসান ও মেহেদী হাসান মিরাজ। টাইগার অধিনায়ক ব্যাট করছেন ১৮ রানে, মিরাজ সঙ্গ দিচ্ছেন ২ রান করে। বাংলাদেশ ২০ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে তুলেছে ৬৬ রান।
স্বাগতিকদের হয়ে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন কেমার রোচ ও কাইল মেয়ার্স। আলঝারি জোসেফ নিয়েছেন তামিমের উইকেট। সেলেসে ফিরিয়েছেন মুমিনুল হককে।







