এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
অপেক্ষাটা ছিল ১ রানের। শততম টেস্ট খেলতে নেমে মিরপুরে আইরিশদের বিপক্ষে ৯৯ রানে অপরাজিত থেকে প্রথম দিনের খেলা শেষ করেছিলেন মুশফিকুর রহিম। দ্বিতীয় দিন নেমেই সেঞ্চুরি করলেন টাইগার তারকা। তাতে নাম লেখালেন অন্যন্য এক কীর্তিতে।
বৃহস্পতিবার আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় দিনের প্রথম ওভারটা দেখে শুনেই পাার করেন মুশফিক। দ্বিতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে স্ট্রাইকে ফেরেন। তৃতীয় বলে সিঙ্গেল নিয়ে শতক স্পর্শ করেন মুশফিক। ১৯৫ বলে সেঞ্চুরির পথে ছিল ৫টি চারের মার। বাংলাদেশের জার্সিতে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির রেকর্ডে নাম লেখালেন মুমিনুলের সঙ্গে। দুজনেই ১৩টি করে সেঞ্চুরি করেছেন।
১০০তম টেস্টে সেঞ্চুরি করা ১১তম ক্রিকেটার মুশফিক, ১২তম সেঞ্চুরি। ২০০৬ সালে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার রিকিং পন্টিং নিজের শততম টেস্টে দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি করেন।
সবার আগে এই কীর্তি গড়েন ইংল্যান্ডের মাইকেল কোলিন কাউড্রে। ১৯৬৮ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নিজের শততম ম্যাচে ১০৪ রান করেন। মুশফিকের আগে সবশেষ এই কীর্তিতে নাম লেখান ডেভিড ওয়ার্নার। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে শততম টেস্টে ২০০ রান করেন অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটার। ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন আরও একজন, জো রুট। ২০২১ সালে চেন্নাইতে ভারতের বিপক্ষে শততম টেস্টে ২১৮ রানের ইনিংস খেলেন।
এশিয়ার তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে এই কীর্তিতে নাম মুশফিকের। তার আগে ১৯৮৯ সালে লাহোরে ভারতের বিপক্ষে ১৪৫ রান করেন পাকিস্তানের জাভেদ মিয়াদাদ। এরপর ২০০৫ সালে বেঙ্গালুরুতে ভারতের বিপক্ষে একই কীর্তিতে নাম লেখান ইজামাম-উল-হক। ১৮৪ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।








