২০২৩ সালে ভারতে হয়েছিল ওয়ানডে বিশ্বকাপ। দারুণ বোলিং ইউনিট, নতুন-পুরাতন ব্যাটার মিলিয়ে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা বাংলাদেশ দলকে নিয়ে দারুণ আশা ছিল। প্রত্যাশার বারুদে নিজেদের পোড়াতে পারেননি খেলোয়াড়েরা, হতশ্রী পারফরম্যান্সে হতাশ হতে হয়েছিল। তরুণ ব্যাটার তাওহীদ হৃদয়ের কাছেও আশা ছিল। তিনিও হতাশ করেছিলেন। সেই কঠিন সময়টা নিয়ে বলেছেন টাইগার তারকা।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে হতে চলা টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ক্রিকেটারদের ধারাবাহিক সাক্ষাৎকার প্রকাশ করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দলের সঙ্গে থাকা কোচ এবং খেলোয়াড়রা জানাচ্ছেন ভাবনা। রোববার বোর্ড প্রকাশিত ভিডিওতে কথা বলেছেন ২৩ বর্ষী টপঅর্ডার ব্যাটার হৃদয়।
গত বিশ্বকাপের আগে দেশে ও বাইরে বিভিন্ন সিরিজে রানবন্যা হচ্ছিল হৃদয়ের ব্যাটে। বিশ্বকাপে যাওয়ার পরই রান নেই। ডানহাতি ব্যাটার জানালেন, ‘২০২৩-এর বিশ্বকাপে যেটা হয়েছে, আমাকে নিয়ে দলের হয়তবা পরিকল্পনা ছিল ওরকম (ছয়-সাতে ব্যাট করানো)। কিন্তু ২০২৩ সালের আগে বিষয়টি ভিন্নরকম ছিল, আমি ব্যাট করেছি অন্য জায়গায়।’
‘সবসময় উপরেই খেলেছি, কিন্তু হঠাৎ করে বিশ্বকাপে যখন ছয়ে-সাতে ব্যাট করেছি, আমার জন্য মানিয়ে নেয়া কষ্টকর হয়েছিল। তারপরও চেষ্টা করেছি দল আমার কাছ থেকে যেটা চেয়েছে ওই অনুযায়ী ফল দেয়ার। হ্যাঁ, কিছু ম্যাচে পারিনি।’
‘অনেকেই বলে ২০২৩-এর বিশ্বকাপটা ভালো হয়নি। খেয়াল করে দেখবেন যে, ছয়-সাত এমন একটা জায়গা যেখানে সবদিন ভালো করতে পারবেন না। দুনিয়ায় এমন পারফর্মার নেই যে সবসময় ভালো করে। জায়গাটা এমন, দুই-একদিন খেলবেন। আমার কাছে মনে হয়নি খুব একটা খারাপ খেলেছিলাম বিশ্বকাপে।’
বাংলাদেশের প্রথম শিরোপা অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ আসে হৃদয়-তামিম-শরিফুলদের হাত ধরে। বিশ্বকাপজয়ী সেই দলের চারজন খেলছেন এবারের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে। প্রত্যাশার সেই পারদটা চড়ানোই থাকছে তাদের ঘিরে।








