বাংলাদেশ দলে যে খেলোয়াড়রা রয়েছেন, তাদের উঠে আসার পেছনে নানা গল্প আছে চড়াই-উতরাইয়ের। সেসব পেরিয়ে সাফল্যের পর্যায়ে আসা। খেলোয়াড়দের বাবা-মায়ের ত্যাগ-উৎসর্গও থাকে সীমাহীন। তেমন এক গল্প শোনালেন টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া টিম টাইগার্সের টপঅর্ডার ব্যাটার তাওহীদ হৃদয়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে হতে চলা টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ক্রিকেটারদের ধারাবাহিক সাক্ষাৎকার প্রকাশ করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দলের সঙ্গে থাকা কোচ এবং খেলোয়াড়রা জানাচ্ছেন ভাবনা। রোববার বোর্ড প্রকাশিত ভিডিওতে কথা বলেছেন ২৩ বর্ষী হৃদয়।
বগুড়ায় বেড়ে ওঠা তারকা ব্যাটার সংগ্রাম নিয়ে জানালেন, ‘মা সবসময় আমাকে সমর্থন করে গেছে। বাবার সমর্থনও ছিল। আমার পরিবারের কেউ তেমন খেলাধুলা বুঝত না। বাবা সরকারী চাকুরিজীবী হওয়ায় উনি খেলাধুলা নিয়ে সমর্থন দিত না, পড়াশোনা করানোর দিকে তার বেশি ঝোঁক ছিল। আমার দিক থেকে নিজের ইচ্ছা, পছন্দ, ভালোবাসা থেকে যতটুকু পেরেছি চেষ্টা করেছি।’
‘আমার মা আমার জন্য যে ঝুঁকিটা নিছে, সেটা অনেক বড় ঝুঁকি। একজনের স্ত্রী তার স্বামীকে না বলে যদি জমিই রেখে দেয়, সেটা তো তার জন্য অনেক বড় একটা ঝুঁকি। আমার বাবা জানত না, তখন আমার মা আমার জন্য যে কাজটা করেছে সেটা প্রায় সাত-আট মাস পর আমার বাবা জানতে পারছে। জানার পর বিষয়টি তখন খারাপ লাগারই মতো।’
‘খুব কম মানুষ পারে এই ঝুঁকিগুলো নিতে। আমার মা তখন হয়তো চিন্তা করছে এমন পরিস্থিতিতে যদি পড়া লাগে, সেটার সমাধান তিনি করতে পারবেন। এই বিষয়গুলোই আমাকে অনেক সাহস দেয়। যখন আমার মা এভাবে পেছন থেকে আমাকে ধাক্কা দিচ্ছে তখন আমি চিন্তা করেছি, ঠিক আছে আমি আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করব। এটাই আমার জীবনের সর্বোচ্চ লক্ষ্য।’
টিম টাইগার্স এখন বিশ্বকাপ খেলতে যুক্তরাষ্ট্রে। স্বাগতিকদের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজ হেরেছে। বিশ্বকাপের অফিসিয়াল প্রস্তুতি হিসেবে সামনে যুক্তরাষ্ট্রকেই পাচ্ছে নাজমুল হোসেন শান্ত বাহিনী।








