এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে নামার আগে ভুটানের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে নেমেছিল বাংলাদেশ। ম্যাচে বদলে যাওয়া বাংলাদেশকে দেখেছে ভুটান। নতুনরূপে সাজানো জাতীয় স্টেডিয়ামে ২-০ গোলে জিতেছে জামাল ভূঁইয়ার দল। প্রথমার্ধের প্রথমদিকে হামজা চৌধুরীর ‘অভিষেক’ গোলের পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর দিকে দ্বিতীয় গোলটি করেন সোহেল রানা। বিপরীতে হাতেগোনা দুই-একটি আক্রমণ করতে পেরেছে ভুটান।
ম্যাচে অভিষেক হয় ইতালিপ্রবাসী ফরোয়ার্ড ফাহমিদুল ইসলাম ও কানাডা বংশোদ্ভূত মিডফিল্ডার সৈয়দ কাজেম শাহ কিরমানির। দ্বিতীয়ার্ধে অভিষেক হয় আরেক ফরোয়ার্ড আল আমিনের। সঙ্গে জাতীয় স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের মাটিতে অভিষেক ম্যাচ খেলে ফেললেন হামজা চৌধুরী।
বাংলাদেশ শুরু থেকে ভুটানকে আক্রমণের উপর রাখে। পঞ্চম মিনিটে সাফল্য আসে, দেশের মাটিতে প্রথমবার নেমেই লাল-সবুজ জার্সিতে অভিষেক গোল পেয়েছেন হামজা চৌধুরী। কর্নার থেকে জামাল ভূঁইয়ার নেয়া শট ডি বক্সে পান হামজা, দুর্দান্ত হেডে গোল পেয়ে যান তিনি। ১-০ গোলে এগিয়ে বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।
ফিরে বদলি নামা শেখ মোরসালিন ৪৮ মিনিটে ডি বক্সের মাঝে বল পান। ফাহমিদুলের দেয়া বল জালে জড়াতে পারেননি তিনি। পরের মিনিটে গোল করেন সোহেল রানা সিনিয়র। ডি বক্সের বেশ খানিকটা বাইরে পাওয়া বল ডানপায়ে ঠেকিয়ে বাঁ-পায়ে জোরাল শট নেন, ভুটান গোলকিপার বুঝে ওঠার আগেই বল জালে জড়ায়। ২-০ গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ।
বিরতির পর সোহেল রানার গোলের পর ম্যাচের লাগাম হারায় ভুটান। বাংলাদেশের খেলার মধ্যেও কিছুটা খাপছাড়া ভাব চলে আসে। মোরসালিন-আল আমিনরা আক্রমণ করলেও পরবর্তীতে আর জালের দেখা পায়নি। পুরোটা সময় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল বাংলাদেশের হাতে। গোলকিপার মিতুল মারমার প্রস্তুতি খুব একটা ভালো হয়নি। পুরোটা সময় একরকম দাঁড়িয়েই কাটাতে হয়েছে ঢাকা আবাহনীর গোলরক্ষককে। পরে আর কোনো গোল না পাওয়ায় ওই ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের কোচ হাভিয়ের ক্যাবরেরা বিরতির পর উঠিয়ে নেন হামজা চৌধুরীকে। প্রীতি ম্যাচের কারণে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে তুলে নেন হামজাকে। নিয়মিত অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াকেও তুলে নেন তিনি। অভিষেক হওয়া ফাহমিদুলকে এক ঘণ্টা খেলিয়ে উঠিয়ে নেন। এ ম্যাচে সুযোগ পেয়েছেন ফরোয়ার্ড মোহাম্মদ ইব্রাহিম। বিরতির পর মাঠে নেমেছিলেন ফয়সাল আহমেদ ফাহিম, শাকিল আহাদ তপু, মোহাম্মদ হৃদয়।








