মিরপুরের একাডেমি মাঠে রয়েছে ৩৪টি মাটির উইকেট। তার মধ্যে পূর্ব কোণের শেষ প্রান্তের পাশাপাশি দুটি উইকেট থেকে মাটি তুলে ইট, বালু, সিমেন্ট দিয়ে ভরাট করা হচ্ছে। ১১ সেপ্টেম্বরের আগেই উইকেট দুটি পুরো প্রস্তুতের লক্ষ্যে চলছে কাজ। সামনের নিউজিল্যান্ড সফর ও অস্ট্রেলিয়ায় টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে টাইগারদের কয়েকটা অনুশীলন সেশন হবে নতুন দুটি উইকেটে।
মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের সেন্টার উইকেট ছাড়াও, ইনডোরের আউটার ও একাডেমি মাঠে রয়েছে অসংখ্য উইকেট। প্রত্যেকটিতেই রয়েছে অসমান বাউন্স, মন্থরতা ও বল নিচু হয়ে আসার প্রবণতা। দেশের বাইরে গতিময় ও বাউন্সি উইকেটে খেলতে তাই কংক্রিটের উইকেটের শরণাপন্ন বিসিবি।
মঙ্গলবার স্টেডিয়ামে গেলে চোখে পড়ে কংক্রিটের উইকেটের কাজ। মিরপুর ভেন্যুর কিউরেটর গামিনী ডি সিলভার তদারকিতে হচ্ছে কাজ।
টি-টুয়েন্টি দলের টেকনিক্যাল পরামর্শক শ্রীধরণ শ্রীরাম বাংলাদেশে আসবেন ১১ তারিখ। পরেরদিন থেকে জাতীয় দলের আশেপাশে থাকা কয়েকজন ক্রিকেটারকে পরখ করবেন তিনি। বিশ্বকাপ খেলতে দেশ ছাড়ার আগে এই উইকেটগুলোতেই হতে পারে অনুশীলন।
ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের কর্মকর্তা ও সাবেক ক্রিকেটার শাহরিয়ার নাফীস জানালেন, টিম ম্যানেজমেন্টের চাহিদা শুনে এই কাজ হাতে নিয়েছেন তারা, গ্রাউন্ডস বিভাগের অধীনে নির্মিত হচ্ছে উইকেট।
‘সম্প্রতি বাংলাদেশ দলের ম্যানেজমেন্ট থেকে আমাদের কাছে দুটা-তিনটা কংক্রিট উইকেটের প্রস্তাবনা ছিল। ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া বা বিভিন্ন দেশে যখন বৃষ্টির মৌসুম থাকে, তখন তারা কিন্তু কংক্রিটের উইকেটে অনুশীলন করে। আমরা কিন্তু আমাদের জাতীয় দলের বেশ কয়েক বছর ধরে অনুশীলনে দেখছি খেলোয়াড়রা মার্বেল স্লেভের ওপর ব্যাটিং করে। এতে বলের গতি বেশি থাকে এবং ভালো বাউন্সার পাওয়া যায়।’
‘আমরা ৫০ শতাংশ ম্যাচ দেশে খেলি, আর ৫০ শতাংশ দেশের বাইরে। সেখানে আমরা দেখি বেশিরভাগ উইকেটে পেস এবং বাউন্স থাকে। ওই পেস বাউন্সটা রেপ্লিকেট করার জন্যই এই কংক্রিট উইকেট তৈরি করা। এখানে বল স্কিড করবে, বাউন্স করবে। আমাদের ব্যাটারদের যেমন অনুশীলন হবে, তেমনি বোলারদেরও ওই ধরনের উইকেটে অনুশীলনের সুযোগ হবে। গ্রাউন্ডস বিভাগ এ দুইটা উইকেট বানাচ্ছে।’







