১৫ বছর পর ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে খেলতে নামছে বাংলাদেশ। ২০১১ সালে অজিরা এসেছিল, রিকি পন্টিং ও শেন ওয়াটসনরা হোয়াইটওয়াশ করে গিয়েছিল। বাংলাদেশের বর্তমান দলটা ভিন্ন। বিশ্বের যেকোনো কন্ডিশনে, মাঠে বা দলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। ঘরের মাঠে সবশেষ তিন সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েছে। অস্ট্রেলিয়া সিরিজেও টাইগারদের ভাবনায় শুধু সিরিজ জয়, জানাচ্ছেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ।
মঙ্গলবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গড়াবে ডাচ-বাংলা ব্যাংক বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডে। আগেরদিন সংবাদ সম্মলনে এলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। সিরিজের পরিকল্পনায় মিরাজ জানালেন, ‘পরিকল্পনা একটাই, ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে, জিততে হবে।’
‘চেষ্টা করব সর্বোচ্চ ভালো ক্রিকেট খেলতে। অনেক আত্মবিশ্বাসী (দল নিয়ে), সবাই ভালো ফর্মে আছে, ব্যাটার-বোলাররা খুব ভালো টাচে আছে, ডিপিএলেও খুব ভালো খেলেছে। এটা একটা বিরাট সুযোগ। যেহেতু অস্ট্রেলিয়া আমাদের সঙ্গে অনেক বছর পর সিরিজ খেলছে, ঘরের মাঠে সুযোগটা আমরা নিতে পারলে খুবই ভালো হবে।’
বাংলাদেশের বিপক্ষে সাদা বলের সিরিজের জন্য পূর্ণশক্তির দলই ঘোষণা করেছিল অস্ট্রেলিয়া। চোটে দুই তারকা মিচেল মার্শ এবং ট্রাভিস হেড খেলতে পারছেন না। ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে হারাতে এটি টাইগারদের জন্য সুবিধাজনক হতে পারে। তবে এসব নিয়ে আলাদা করে ভাবছেন না মিরাজ। নিজেদের জায়গা থেকে সেরা পারফর্ম করে জিততে চান।
‘এর আগেই শুনেছিলাম দুজনের না আসার বিষয়টা, কিন্তু কালকে নিশ্চিত হয়েছি। তবুও আমরা দল হিসেবে চিন্তা করছি। যে দলটা এসেছে, অবশ্যই অনেক ভালো দল এবং অনেক শক্তিশালী। আমাদের ভূমিকা পালনের চেষ্টা করব। ওদেরকে নিয়ে বেশি চিন্তা না করে আমাদের জায়গা থেকে পারফর্ম করার চেষ্টা করব।’
অস্ট্রেলিয়া সিরিজের আগমুহূর্তে পেস বোলিং কোচের দায়িত্ব ছেড়েছেন শন টেইট। তার দেশের বিপক্ষে সিরিজে তাসকিন-মোস্তাফিজদের জন্য বেশ উপকারী হয়ে উঠতে পারতেন। সুযোগ পেলেন না টাইগার পেসাররা। এটার প্রভাব নিয়ে মিরাজ বললেন, ‘শেষমুহূর্তে বলেছে। এটা ক্রিকেট বোর্ড আলোচনা করে তার সঙ্গে কথা বলেছে। আমার কাছে মনে হয়, স্থানীয় যে কোচ আছে তাদের জন্য একটা বিরাট সুযোগ এবং স্থানীয় যারাই আছে, তারাও অনেক যোগ্যতাসম্পন্ন, তারা যদি সুযোগটা নিতে পারে, তাদের জন্য অনেক ভালো।’







