‘আমাদের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য আমরা যেন দ্রুত গোল না হজম করি। গোল না খেলে আমাদের সম্ভাবনা তৈরি হবে। আমরা দৃঢ় মানসিকতা নিয়ে খেলতে চাই। আমরা এ নিয়ে কাজ করেছি। আগে গোল না খেলে দল আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলতে পারবে। পাশাপাশি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুসরণ করে যেতে হবে।’
ফুটবল বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের ফিরতি লেগে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দলের পরিকল্পনা নিয়ে এ কথাগুলোই বলেন হাভিয়ের ক্যাবরেরা। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ১৬০ ধাপ এগিয়ে থাকা দলের সঙ্গে ইতিবাচক ফুটবল খেলার বার্তাও তিনি দেন।
বাছাইপর্বের প্রথম খেলায় ক্যাঙ্গারুদের কাছে হাভিয়ের ক্যাবরেরার শিষ্যরা ৭-০ গোলে বিধ্বস্ত হয়। যদিও ঘরের মাঠে সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি চান না বাংলাদেশের কোচ, সেটি স্পষ্ট জানান।
‘আমরা ভালো খেলতে চাই। নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৭ গোল হজম করেছিলাম। এবার দেশের মাঠে পারফরম্যান্সের উন্নতি চাই। আমরা এমন একটা ম্যাচ খেলতে চাই, যেটি শুধু আমাদের জন্যই নয়, দর্শকদের জন্যও আনন্দময় অভিজ্ঞতা হবে। নিজেদের মাঠে খেলা, আমরা জানি, ঘরের মাঠে আমরা খুব খারাপ খেলি না।’
‘অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ৭ গোল হজমের মূল কারণ ছিল, আমরা দ্রুত গোল খেয়েছিলাম। কালকের ম্যাচে যেন এমনটা না হয়, সেটি আমাদের দায়িত্ব।’
শারীরিক গড়নে লাল-সবুজের দলের চেয়ে অজি ফুটবলাররা বেশ দীর্ঘদেহী। শক্তি ও সামর্থ্যের বিচারে তাদের সঙ্গে পেরে ওঠা হবে কঠিন কাজ। সেট পিসে প্রতিপক্ষকে নিয়ে ক্যাবরেরা তাই অতি সতর্ক থাকছেন।
‘সেট পিসে অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের অন্যতম সেরা দল। অন্য যেকোনো দল এই জায়গায় তাদের সমীহ করে। এক্ষেত্রে আমরা শুধু নিজেদের কাজগুলোই ঠিকঠাক করার আশা করতে পারি।’
বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টা ৪৫ মিনিটে খেলাটি মাঠে গড়াবে। পাঁচ মাস আগে মেলবোর্নে প্রথম লেগে ৭-০ ব্যবধানে পরাজয়কে বাজে দিন বলে অভিহিত করেন সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত জামাল ভূঁইয়া। স্বাগতিকদের অধিনায়ক অবশ্য হোম কন্ডিশনের সুবিধা ও দর্শক সমর্থনকে সঙ্গী করে সেরাটা দিতে দল মরিয়া বলে জানান।
‘মেলবোর্নে অনেক ঠাণ্ডা ছিল। সবাইকে গ্লাভস পরে খেলতে হয়েছিল। এখানে নিজেদের মাঠে খেলা। প্রচুর দর্শক থাকবে, সমর্থক থাকবে। পরিবারের সদস্যরাও থাকবে। আমরা এখানে নিজেদের মেলে ধরতে চাই। আমরা প্রমাণ করে দিতে চাই, মেলবোর্নে ৭ গোলে হারাটা বাজে দিন ছিল।’








