চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি

No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

দুর্নীতির বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর ভাবনা ও শেখ হাসিনার জিরো টলারেন্স

মো. হাসানুর রহমান (হাসান)মো. হাসানুর রহমান (হাসান)
৬:৫০ অপরাহ্ন ২৭, জানুয়ারি ২০২৪
মতামত
A A

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একক ও সাহসী নেতৃত্বে দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর আমরা মহান স্বাধীনতা অর্জন করি। স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠন, যুদ্ধ বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে সচল, মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, প্রশাসনকে পুনর্গঠন করে সচল, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, বিশ্বদরবারে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্বীকৃতি আদায়, সর্বোপরি একটি সংবিধান প্রণয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছিল বঙ্গবন্ধু ও তার নেতৃত্বে নবগঠিত সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ।

ওই সময়ে বঙ্গবন্ধুকে মোকাবিলা করতে হয়েছে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক নানামুখী ষড়যন্ত্র ও চাপ, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল কৃত্রিম দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানো এবং রাজনৈতিক অপতৎপরতা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন সব সংকট কাটিয়ে দেশকে একটি স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরিয়ে এনে অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য সকলকে একত্রিত হওয়ার ডাক দিয়েছিলেন, তখনই তাকে হত্যা করা হয় সপরিবারে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন ও সাড়ে তিন বছর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকার সময় উপলব্ধি করেছিলেন আমাদের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার অন্যতম বড় বাধা হচ্ছে দুর্নীতি। দুর্নীতির বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু সবসময় ছিলেন সোচ্চার এবং দৃঢ়।

বঙ্গবন্ধু তার বিভিন্ন বিবৃতিতে, লেখায় ও বক্তব্যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে তার অবস্থান পরিষ্কার করেছিলেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে দুর্নীতি যে বিরাট একটি অন্তরায় এবং দুর্নীতির সঙ্গে মূলত সমাজের যে ক্ষুদ্রতম অংশ জড়িত, সেই বিষয়টি তিনি একাধিকবার উচ্চারণ করার পাশাপাশি দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের সতর্ক করে আত্মশুদ্ধির উপদেশ ও আহ্বান জানিয়েছিলেন।

আমরা যদি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনেকগুলো বক্তব্যের মধ্য থেকে দুয়েকটি এখানে উল্লেখ করি তাহলেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর অবস্থান বোঝা আরও সহজ হয়। ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি, জাতীয় সংসদে প্রদত্ত এক ভাষণে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘আর এই দুঃখী মানুষ যে রক্ত দিয়েছে, স্বাধীনতা এনেছে, তাদের রক্তে বিদেশ থেকে খাবার আনাই, সেই খাবার চুরি করে খাবে; অর্থ আনি, সেই অর্থ চুরি করে খাবে; তা বিদেশে চালান দেবে। সেটা হবে না। বাংলার মাটি থেকে তাদের উৎখাত করা হবে।’ তিনি বলেছিলেন, ‘যারা দুর্নীতি করে, বাংলার মাটি থেকে তাদের উৎখাত করতে হবে। মানুষকে যারা পয়সা দেয়, তোমার মাইনে দেয়, তোমার সংসার চালানোর জন্য ট্যাক্স দেয়, তার কাছে তুমি আবার পয়সা খাও! মেন্টালিটি চেঞ্জ করতে হবে।”

একই তারিখে সংসদের অপর অধিবেশনের ভাষণে বঙ্গবন্ধু স্পিকারকে উদ্দেশ করে উপরোক্ত বক্তব্য পুনর্ব্যক্ত করে, আহ্বান জানিয়েছিলেন, ‘দেশকে বাঁচান, মানুষকে বাঁচান, মানুষের দুঃখ দূর করুন। আর দুর্নীতিবাজ, ঘুষখোর, চোরাকারবারিদের উৎখাত করুন।’ ১৯৭৫ সালের ৮ মার্চ, টাঙ্গাইলের কাগমারীতে মাওলানা মোহাম্মদ আলী কলেজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেয়ার সময় বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশের শতকরা ২৫ ভাগ দুঃখ দূর হয়ে যাবে, যদি দুর্নীতি বন্ধ হয়ে যায়। যার মধ্যে মনুষ্যত্ব আছে, সে-ই মানুষ হয়। সেই জন্যে আমি চাই মনুষ্যত্ব ফিরে আসুক।’

Reneta

বিগত দেড় দশকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতৃত্বে দেশে উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। কৃষি, শিল্প, অবকাঠামো, যোগাযোগ ব্যবস্থায় এসেছে দৃশ্যমান পরিবর্তন। কিন্তু দুর্নীতি এখনো একটা বড় দুশ্চিন্তার বিষয় হিসেবে রয়ে গেছে। দেশে আয় ও সম্পদের বৈষম্য বেড়ে ওঠার পেছনে দুর্নীতি একটি বড় কারণ। এতে উন্নয়নের সুফল সমাজে ঠিকঠাক বণ্টিত হয় না। পাশাপাশি এটা দেশকে পিছিয়ে দেয়। যা কোনভাবেই কাম্য নয়। কিন্তু দুর্নীতি প্রতিরোধে সরকারের কঠোর অবস্থান থাকা সত্ত্বেও বাস্তবতা এটাই যে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে দুর্নীতি দমন এখনো একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

অতীতে বাংলাদেশ কয়েক দফায় (২০০১-২০০৫) দুর্নীতিতে বিশ্বের মধ্যে শীর্ষ অবস্থান করে নিয়েছিল। দীর্ঘ বিরতির পর নানান রাজনৈতিক সংকট মোকাবেলা করে ২০০৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সুখী সমৃদ্ধ দেশ গড়ার প্রত্যয়ে রাষ্ট্র পরিচালনাই আসে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। দুর্নীতি প্রতিরোধে সরকারের কঠোর অবস্থান স্পষ্ট করেন এবং দুর্নীতি রোধে সচেষ্ট হন। ২০১৮ সালে সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহার প্রকাশ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা ঘোষণা করেছিলেন এবং সেই অনুযায়ী কাজ করে গেছেন। কিন্তু পরিতাপের বিষয় দুর্নীতির আগ্রাসন থেমে থাকেনি।

দুর্নীতি রোধে মনিটরিং, ব্যাংক হিসাব জব্দ, বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা, সম্পদ বাজেয়াপ্ত ও সামাজিক অপরাধ রোধে সরকার কাজ করেছ। ২০২৪ সালের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন এবং চলমান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স (শূন্য সহনশীলতা)’ দেখানো, মূল্যস্ফীতি ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। এই ইশতেহার বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে সরকার বাংলাদেশের জন্যে একটি সমৃদ্ধ ও টেকসই অর্থনীতির নিশ্চিত করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

গত দেড় দশকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে যে কয়েকটি দেশ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। অর্থনৈতিক ও সামাজিক সূচকগুলোতে প্রতিবেশী দেশগুলোকে পেছনে ফেলে এখন সামনের সারিতে বাংলাদেশ। বর্তমান বিশ্বের অনেক স্বল্পোন্নত দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য আদর্শ হিসেবে দেখা হচ্ছে বাংলাদেশকে। দেশটি বিগত এক দশকের বেশি সময় ধরে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ছয় শতাংশের ওপরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।

যুক্তরাজ্যের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) বলছে, আগামী ২০৪০ সালের মধ্যে বিশ্বের শীর্ষ ২০টি অর্থনীতির একটি হবে বাংলাদেশ। বাজারের আকার, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও বিভিন্ন খাতে যেমন কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতের সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্য। বর্তমান সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স (শূন্য সহনশীলতা)’ দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধির হারকে একটি স্থিতিশীল অবস্থাই ধরে রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়িত হবে।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Channel-i-Tv-Live-Motiom

Jui  Banner Campaign
ট্যাগ: দুর্নীতিদুর্নীতির বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর ভাবনাদুর্নীতির বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার জিরো টলারেন্স
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

সিলেট জেলা স্টেডিয়ামের জরাজীর্ণ অবস্থা দেখে ক্ষুব্ধ ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

এপ্রিল ১, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে বসেই গড়লেন এক টুকরো বাংলাদেশ

এপ্রিল ১, ২০২৬

যতদিন দায়িত্বে আছেন, প্রভাব খাটিয়ে কিছু করিয়ে নেওয়া যাবেনা গভর্নর

এপ্রিল ১, ২০২৬

মূল্যস্ফীতি বাড়বে না, শক্তিশালী হবে অর্থনীতি: প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস

এপ্রিল ১, ২০২৬

বিশিষ্ট নজরুল সংগীতশিল্পী ডালিয়া নওশীন মারা গেছেন

এপ্রিল ১, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey January 2026 Bkash Stickey September 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT