যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে কানাডার স্থানীয় সময় রোববার (১৭ ই মার্চ) বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, টরন্টোতে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী এবং ‘জাতীয় শিশু দিবস-২০২৪’ উদযাপন করা হয়েছে।
এ উপলক্ষে বাংলাদেশ কনস্যুলেট দিনব্যাপী কর্মসূচির আয়োজন করে। সকালে বাংলাদেশ হাউসে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয় এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ নিয়ে শিশুদের চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতাসহ আমন্ত্রিত অতিথিদের অংশগ্রহণে কনস্যুলেট প্রাঙ্গণে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠান সূচিতে ছিল বাংলাদেশ ও কানাডার জাতীয় সংগীত পরিবেশন, জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, মহামান্য রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রীর বাণী পাঠ, ভিডিও তথ্যচিত্র প্রদর্শন, বক্তব্য উপস্থাপন, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও বিশেষ মোনাজাত।
উপস্থিত বক্তারা জাতির এই স্মরণীয় দিনে স্বাধীনতার মহানায়ক, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, বঙ্গবন্ধুর শৈশব, দূরদৃষ্টিসম্পন্ন সুদীর্ঘ রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং সংগ্রামী জীবনের ওপর আলোকপাত করেন। একইসাথে এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ধরে, আনব হাসি সবার ঘরে’ গুরুত্বপূর্ণ মর্মে আলোচনা করেন।
কনসাল জেনারেল মো. ফারুক হোসেন জাতির পিতার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলাদেশ-সহ বিশ্বের সকল শিশু-কিশোরকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, শৈশবকাল থেকেই ছিলেন নির্ভীক, দয়ালু এবং পরোপকারী। স্কুলে পড়ার সময় থেকেই তার নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশ লাভ করতে থাকে। ধীরে ধীরে তিনি হয়ে উঠেন বাংলার নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ের শেষ আশ্রয়স্থল। শিশুদের প্রতি জাতির পিতার ছিল অপরিসীম মমতা। তিনি বিশ্বাস করতেন এই শিশুরাই তার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলবে।
তিনি আরও বলেন, মহান নেতার জীবন ও আদর্শ অনুসরণে এ দেশের শিশুদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
সর্বশেষে জাতির পিতার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে, আগামী দিনের কর্ণধার শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও দেশের সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।








