জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার হিমাইল গ্রামে নিখোঁজের ৬ দিন পর বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে চার বছরের শিশু রদিয়া আক্তার রুহির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ ৩১ মে শনিবার শুক্রবার (৩০ মে) রাত ১১টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ভয়াবহ এই হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে রুহির সৎ মা সোনিয়া আক্তারসহ পরিবারের আরও তিনজন সদস্যের বিরুদ্ধে।
পুলিশ জানায়, শিশুটির নিখোঁজের ঘটনায় তার মা আরজিনা বেগম গত ২৫ মে কালাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এরপর পুলিশ সৎ মা সোনিয়া, সৎ নানা জিয়াউর রহমান ও আপন চাচা রনিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। তাদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে হিমাইল গ্রামের বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার করা হয় রুহির মরদেহ।
স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহত রুহির বাবা আব্দুর রহমান প্রায় আট বছর আগে আরজিনা বেগমকে বিয়ে করেন। দাম্পত্য কলহের জেরে দুই বছর আগে তাদের বিচ্ছেদ হয়। এর পর থেকে রুহি মায়ের সঙ্গে নানাবাড়িতে থাকলেও বাবার বাড়ি কাছেই হওয়ায় প্রায়ই সেখানে যেত। ২৪ মে সকালে বাবার বাড়িতে গিয়ে সে আর ফিরে আসেনি।
স্থানীয়দের দাবি, শিশুটি তার সৎ মা ও আপন চাচার অনৈতিক সম্পর্ক দেখে ফেলায় তাকে হত্যা করা হয়। প্রথমে বালিশচাপা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় এবং পরে মরদেহ বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রাখা হয়। শিশুটির প্রতি সৎ মা সোনিয়ার দীর্ঘদিনের অসহিষ্ণু আচরণও ছিল বলে অভিযোগ করেছেন প্রতিবেশীরা।
কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ হোসেন বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





