চাঁদপুরের মতলব উত্তর আওয়ামী লীগের প্রতিবাদ সমাবেশে যাওয়ার পথে নিজ দলের প্রতিপক্ষের গুলিতে মায়া চৌধুরীর কর্মী মোবারক হোসেন বাবু (৪৮) নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন জহির (২০) ও ইমন (১৮) নামের আরও দু’জন কর্মী। তাদের দু’জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মুসা নামের একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার ১৮ জুন বেলা ৩টার দিকে বাহাদুরপুর চর এলাকায় এই গুলির ঘটনা ঘটে। এছাড়াও স্থানীয় মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জহির (৩২) ও বিলকিছ (৩৫) নামের দু’কর্মীকে আহত অবস্থায় ভর্তি করানো হয়।
নিহত বাবু মোহনপুর ইউনিয়ন যুবলীগের কর্মী। আটককৃত মুসা স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান কাজী মিজানের কর্মী। হতাহত সবাই মায়া চৌধুরীর সমর্থক।
নিহতের ভাই আমির হোসেন কালু বলেন, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান কাজী মিজানের কর্মীরা মায়া চৌধুরীর সমাবেশে আসার পথে বাধা প্রদান করে ও প্রকাশ্যে গুলি চালায়। কাজী মিজান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম ও স্থানীয় এমপি নূরুল আমিন রুহুল গ্রুপের নেতা।

মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মহিউদ্দিন জানান, মায়া চৌধুরীর সমাবেশে আসার পথে কাজী মিজানের কর্মীদের গুলিতে মোবারক হোসেন বাবু নিহত হন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিএনপি নেতা কর্তৃক হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মোহনপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এই প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে।
ঘটনার পর সাংবাদিকদের এক ব্রিফিংয়ে মায়া চৌধুরী বলেন, হামলাকারী কাজী মিজান গ্রুপ আওয়ামী লীগের কেউ না। তারা রাজাকার পরিবারের লোক। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার হবে।








