জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয় তার কুমিল্লার বাগিচাগাওয়ের বাসা থেকে।
শুক্রবার ১৫ মার্চ তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। অবন্তিকা তার বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টরের বিরুদ্ধের সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার প্রায় এক ঘণ্টা পর তার মরদেহ উদ্ধার হয়।
অবন্তিকা মায়ের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ে বার বার জানিয়েও হয়রানির বিচার পায়নি, তাই অবন্তিকা আত্মহত্যা করেছে। অবন্তিকার মৃত্যুর জন্য দায়িদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে তার মা।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়য়ের আইনের শিক্ষার্থী ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকার মৃত্যুর আগে ফেসবুক পোস্টে তার মৃত্যুর জন্য দায়ী করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়য়ের সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম ও তার সহপাঠী আমান সিদ্দিককে।
শুক্রবার রাতে কুমিল্লার বাঁগিচাগাওয়ের নিজ বাসা থেকে অবন্তিকার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেন তার স্বজনেরা। কুমিল্লা সদর হাসপাতালে নেয়ার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়।
অবন্তিকা কুমিল্লার নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে ভর্তি হন।
অবন্তিকার বাবা জামাল উদ্দিন কুমিল্লার সরকারি কলেজের শিক্ষক ছিলেন। বাবার মৃত্যুর আগে নিজের মেয়ের হয়রানির অভিযোগ জানালেও তার প্রতিকার পাওয়া যায়নি।
অবন্তিকার মা তাহমিনা শবনম বলেন, তার মেয়েকে মানসিক ভাবে হয়রানি করে আত্মহত্যার জন্য প্ররোচিত করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বারবার জানিয়েও কোন ফল পাননি তারা।
অবনন্তিকার আত্মহত্যার ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে উত্তাল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। তার সহপাঠীরাও দাবি করেছেন এই মৃত্যুর জন্য দায়িদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেয়া হোক।







