বিশ্বকাপে হতশ্রী অবস্থা বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডের। একের পর এক হার দেখে চলেছে তারা। ছয় ম্যাচে পাঁচ হারে সেমিফাইনালের পথ থেকে ছিটকে গেছে আগেই। নিজেদের সপ্তম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৩৩ রানে হেরে দ্বিতীয় দল হিসেবে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়েছে জশ বাটলারদের। এরআগে প্রথম দল হিসেবে বিদায় নিশ্চিত হয়েছে বাংলাদেশের।
আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে টসে জিতে অস্ট্রেলিয়াকে আগে ব্যাটের আমন্ত্রণ জানান ইংলিশ অধিনায়ক জশ বাটলার। ৪৯.৩ ওভারে ২৮৬ রানে গুটিয়ে যায় অজিরা। জবাবে নেমে ৪৮.১ ওভারে ২৫৩ রানে গুটিয়ে যায় বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের ইনিংস।
এ নিয়ে আসরে ষষ্ঠ হার দেখল ইংল্যান্ড। এক জয়ে দুই পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে অবস্থান তাদের। অন্যদিকে সাত ম্যাচে পাঁচ জয়ে দশ পয়েন্ট নিয়ে সেমির পথে অনেকটা এগিয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া।
২৮৭ রানের লক্ষ্যে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। দলীয় ১৯ রানে হারায় দ্বিতীয় ব্যাটারকে। চাপে ইংলিশদের হাল ধরেন ডেভিড মালান ও বেন স্টোকস। ফিফটি পুর্ণ করে ফিরেছেন দুজনই।
২৩তম ওভারে দলীয় ১০৩ রানে মালান ফিরেন ৬৪ বলে ৫০ রান করে। ৩৬তম ওভারে স্টোকস ফেরেন দলীয় ১৬৯ রানে। ৯০ বলে ৬৪ রান করেন স্টোকস।
ইংলিশ ব্যাটারদের মধ্যে মঈন আলী ৪৩ বলে ৪২ রান ও ক্রিস ওকস ৩৩ বলে ৩২ রান করে ফিরেছেন। এছাড়া শেষের দিকে আদিল রশিদ ১৫ বলে ২০ রান করে ফেরেন। বাকী ব্যাটারদের কেউই উল্লেখযোগ্য রান করতে পারেননি।
অজিদের হয়ে অ্যাডাম জাম্পা নেন তিন উইকেট। মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজেলউড ও প্যাট কামিন্স নেন দুটি করে উইকেট। এছাড়া মার্কাস স্টয়নিস নেন একটি।
এর আগে ব্যাটে নেমে দুই ওপেনারের ব্যর্থতার পর স্টিভেন স্মিথের সঙ্গে দুর্দান্ত জুটি গড়েন মার্নাশ লাবুশেন। ৫২ বলে ৪৪ রান করে ফিরে যান স্মিথ। অজিদের হয়ে সর্বোচ্চ করেছেন মার্নাশ লাবুশেন। ৭ চারে ৮৩ বলে ৭১ রান করে ফেরেন তিনি। ৫২ বলে ৪৭ রান করেছেন ক্যামেরুন গ্রিন।এছড়া মার্কাস স্টয়নিস ৩২ বলে ৩৫ রান ও শেষের দিকে ১৯ বলে ২৯ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন অ্যাডাম জাম্পা।
ইংলিশদের হয়ে ক্রিস ওকস সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নিয়েছেন। আদিল রশিদ ও মার্ক উড নেন দুটি করে উইকেট। এছাড়া ডেভিড উইলি ও লিয়াম লিভিংস্টোন নেন একটি করে উইকেট।







