প্রথম ইনিংসে ৫৪ রানের লিড পাওয়ার পর ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৬ রানের মধ্যে ৪ ব্যাটার সাজঘরে ফেরেন। পাকিস্তান জমিয়ে তোলে বক্সিং ডে টেস্ট। মিচেল মার্শের সহজ ক্যাচ ফেলে অবশ্য দিনশেষে মাশুল গুণতে হচ্ছে সফরকারীদের। মার্শ ও স্টিভেন স্মিথের ব্যাটে চেপে অজিদের হাতে এখন ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ।
তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে ৩১৮ রানের জবাবে ২৬৪ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। তৃতীয় দিন শেষে স্বাগতিকদের দ্বিতীয় ইনিংসে সংগ্রহ ৬ উইকেটে ১৮৭ রান। সফরকারীদের চেয়ে ২৪১ রানে ক্যাঙ্গারুরা এগিয়ে আছে।
বৃহস্পতিবার মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ৬ উইকেটে ১৯৪ রানে দিনের খেলা শুরু করেছিল পাকিস্তান। অপরাজিত থাকা মোহাম্মদ রিজওয়ান ৫১ বলে এক চার ও এক ছক্কায় ৪২ রানে প্যাট কামিন্সের বলে ডেভিড ওয়ার্নারকে ক্যাচ দেন।
ব্যাটে দ্রুত রান তোলার প্রবণতায় থাকা শাহিন শাহ আফ্রিদি খেলেন ২৮ বলে ৪ চারে ২১ রানের ইনিংস। নাথান লায়নের বলে লেগ বিফোরে কাটা পড়ে ড্রেসিংরুমে ফেরেন। হাসান আলী আর মীর হামজা দ্রুত আউট হলে শেষ হয় পাকিস্তানের প্রথম ইনিংস।
অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে ঝলসে ওঠা কামিন্স ৪৮ রান খরচায় ৫ উইকেট নেন। লায়ন ঝুলিতে ভরেন ৪ উইকেট।
শাহিন শাহ আফ্রিদি ও মীর হামজার বোলিং তোপে দ্বিতীয় ইনিংসে অজিরা বিপদে পড়ে। শাহিন আফ্রিদির প্রথম ওভারে শূন্য রানে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন উসমান খাজা। আগের ইনিংসে ফিফটি পাওয়া মার্নাস লাবুশেন মাত্র ৪ রান করে রিজওয়ানের গ্লাভসে ধরা পড়েন শাহিন আফ্রিদির দ্বিতীয় শিকার হয়ে।
৬ রানে থাকা ওয়ার্নার ও রানের খাতা না খোলা ট্রাভিস হেডকে পরপর দুই বলে বোল্ড করে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগান হামজা। দলীয় ৪৬ রানে পঞ্চম উইকেট হারাতে পারতো অস্ট্রেলিয়া। আমের জামালের বলে ২০ রানে প্রথম স্লিপে ক্যাচ দেন মার্শ। সহজ ক্যাচ হাতছাড়া করেন আবদুল্লাহ শফিক।
পঞ্চম উইকেটে স্মিথকে নিয়ে ১৫৩ রানের বড় জুটি গড়ে স্বাগতিকদের বিপর্যয় সামলেছেন মার্শ। সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে গিয়ে নার্ভাস নাইন্টিজে কাটা পড়েন। হামজার বলে আঘা সালমানের তালুবন্দি হওয়ার আগে ১৩০ বলে ১৩ চারে ৯৬ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলেন।
ফিফটির পর শাহিন আফ্রিদির করা দিনের শেষ ওভারে সাজঘরে ফেরেন স্মিথ। ধীরগতির ব্যাটিংয়ে ১৭৬ বলে ৩ চারে ৫০ রান করে সালমানের হাতে ধরা পড়েন। পাকিস্তানের পক্ষে হামজা ২৭ রান খরচায় ৩ উইকেট নেন। শাহিন আফ্রিদিও ৩ উইকেট নেন, ৫৮ রানের বিনিময়ে।







