ঢাকার সাভার ও ধামরাইয়ে পৃথক দুটি স্থানে পাঁচ ও সাত বছর বয়সী দুই শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এই দুই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রকি ও রুবেল নামের দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্তদের একজনকে স্থানীয় জনতা হাতেনাতে ধরে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।
সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নে পাঁচ বছরের এক শিশুকে খরগোশের বাচ্চা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে জঙ্গল নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত রবিউল ইসলাম রকি নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল রাতে বিরুলিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গতকাল বিরুলিয়া ইউনিয়নের খাগান এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত রকি শিশুটিকে খরগোশের বাচ্চা দেওয়ার কথা বলে কৌশলে কাছের একটি জঙ্গলে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হলে শিশুটি চিৎকার ও চেঁচামেচি শুরু করে। তার চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত রকিকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে তাকে গ্রেপ্তার করে।
অপরদিকে, ঢাকার ধামরাইয়ে চানাচুর কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে রুবেল (২৮) নামের এক অটোচালকের বিরুদ্ধে। গতকাল বিকেলে উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের দক্ষিণ কুশিয়ারা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তার রুবেল ওই গ্রামের শাহজাহানের ছেলে।
ভুক্তভোগীর পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিকেলে শিশুটি বাড়ির পাশে খেলাধুলা করছিল। এ সময় অটোচালক রুবেল চানাচুর কিনে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে তাকে পাশের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। শিশুটির চিৎকারে এক প্রতিবেশী নারী এগিয়ে এলে বিষয়টি জানাজানি হয়।
পরবর্তীতে স্থানীয় বাসিন্দারা জড়ো হয়ে রুবেলকে হাতেনাতে আটক করে গণধোলাই দেয়। এরপর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। খবর পেয়ে ধামরাই থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত রুবেলকে হেফাজতে নেয়।
ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এই ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বাদী হয়ে ধামরাই থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেপ্তারকৃত আসামি রুবেলকে আজ সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে সাভারের ঘটনায়ও আটককৃত যুবকের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।







