পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হেরে এশিয়া কাপের দৌড় থেকে ফাইনালের আগেই ছিটকে যায় বাংলাদেশ। সুপার ফোরে নিজেদের শেষ ম্যাচে ভারতকে হারিয়েছে টিম টাইগার্স। আত্মবিশ্বাসের পালে জোরালো হাওয়া লাগানো জয়ের পর বিশ্বকাপের আগে ভালো দল পাওয়া গেছে। বিশ্বকাপের আগে ক্রিকেটারদের ভেতর জয়ের স্বাদ পাওয়াটা ছিল বেশ কার্যকরী।
একাদশে পাঁচ পরিবর্তন ও দুই পেসার খেলানো নিয়ে সাকিবকে প্রশ্ন করা হলে তিনি দেন সহজ উত্তর, ‘আমরা যারা বেশি খেলেনি তাদের সুযোগ দিয়েছিলাম। আমরা ভেবেছিলাম স্পিনাররা ভূমিকা পালন করবে এবং ভাগ্যক্রমে তারা সেটা করেছে।’
বিশ্বকাপের দল কেমন হবে, কারা ১৫ জনের চূড়ান্ত স্কোয়াডে ডাক পাবেন, তা নিয়ে আলোচনা ও কৌতূহল বাড়ছে। টাইগার অধিনায়ক অবশ্য আত্মবিশ্বাসী কন্ঠেই বললেন, ‘আমি মনে করি বিশ্বকাপের জন্য আমরা খুব ভালো দল পেয়েছি।’
ব্যাট হাতে মোটেও নিজের চেনা ছন্দে লম্বা সময় ধরেই ছিলেন না সাকিব। চলতি এশিয়া কাপে তার ব্যাট থেকে এসেছে দুই ফিফটি। ভারতের বিপক্ষে ৮৫ বলে ৬ চার ও ৩ ছক্কায় ৮০ রানের ইনিংস খেলেন। বল হাতে পান সূর্যকুমার যাদবের উইকেট, হন ম্যাচ সেরা।
মি. অলরাউন্ডারের নিজের ব্যাটিং পারফরম্যান্স নিয়ে কথা বলেছেন খোলামেলা। বললেন, ‘এই এশিয়া কাপে আমি ভালো ব্যাটিং করছিলাম না। কিন্তু আজ আমার স্থির হওয়ার সময় ছিল। যখন আমি আমার প্রথম বাউন্ডারি মারলাম, ভালো লাগলো। যখন বল পুরনো হয়ে গেল, স্পিন খেলা কঠিন ছিল।’
‘বাংলাদেশ যখন বোলিং করছিল, তখন স্পিন করানোই ছিল কঠিন। সেটি জানিয়ে সাকিবের ভাষ্য, যখন শেখ মেহেদী আক্রমণ শুরু করে, তখন বল করা সহজ ছিল না। শেষ পর্যন্ত টানা পাঁচ ওভার বল করেছিলেন।’
বল হাতে ঝলসে উঠে টাইগারদের জয়ে পথ দেখান অভিষিক্ত তানজিম হাসান সাকিব। প্রথম ওভারে ভারতের তারকা ব্যাটার রোহিত শর্মাকে ফিরিয়ে শুরুটা দারুণ করেন ২০ বর্ষী এ পেসার। পরের ওভারের তুলে নেন আরও একটি উইকেট। তরুণ ক্রিকেটারের প্রশংসায় টিম টাইগার্স অধিনায়ক বলেন, ‘আমার সাকিবকেও (তানজিম) কৃতিত্ব দেয়া উচিৎ।’
ফাইনালের আগেই আসর থেকে ছিটকে যাওয়া নিয়ে লাল-সবুজের দলের কাপ্তানের ব্যাখ্যা, ‘এই এশিয়া কাপে অনেকের ইনজুরি ছিল। খেলোয়াড়দের আসা-যাওয়া কোনো কাজে আসেনি।’








