সেনা ও নৌবাহিনীর কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণার ঘটনায় চক্রের মূলহোতা হাবিবুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
সেসময় তার কাছ থেকে সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট ও বিমানবাহিনীর সার্জেন্ট পদের ২টি ভুয়া আইডি কার্ড জব্দ করা হয়।
শনিবার (২ ডিসেম্বর) রাতে সিলেট বাসস্ট্যান্ড থেকে হাবিবুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই নেত্রকোণা জেলা। রোববার (৩ ডিসেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন পিবিআই সদর দপ্তরের পুলিশ সুপার আবু ইউসুফ।
তিনি বলেন, হাবিবুল্লাহ বাগেরহাটে বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে নৌবাহিনীর অফিস সহায়ক কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে নিয়োগ দেওয়ার কথা বলে নেত্রকোণার আটপাড়া থানার ৫ জনের কাছ থেকে প্রায় ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। পরে হাবিবুল্লাহ তার প্রথম স্ত্রীর বড় ভাই মহিবুল্লাহ ও তার ছোট ভাই মহিউদ্দীনকে দিয়ে চাকরিপ্রার্থী ওই ৫ জনের নৌবাহিনীর অফিস সহায়ক কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদে ভূয়া লিখিত পরীক্ষা নেয় এবং পরীক্ষা শেষে একটি হোটেলে তাদেরকে ভূয়া নিয়োগপত্র দেয়। প্রতারণার শিকার আরিফ খান, হাবিবুর রহমান, মো. ফরহাদ মিয়া, সৌরভ, ও রাকিব বিষয়টি বুঝতে পেরে গত ২৭ জুলাই পিবিআই নেত্রকোণা জেলায় ঘটনার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করেন।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে ঘটনার সত্যতা উঠে আসে এবং এর প্রতারণার ঘটনায় আটপাড়া থানায় মামলা করা হয়। পরে ওই থানায় আরও ২টি প্রতারণা মামলা হয়। এরপর থেকে ঘটনার সাথে জড়িত আসামি আত্মগোপন করেন।
পিবিআই নেত্রকোণা জেলার ইউনিট ইনচার্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহীনুর কবির বলেন, আসামি হাবিবুল্লাহ দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিল। সে তার দ্বিতীয় স্ত্রী রাবেয়া বসরীকে নিয়ে খুলনার বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপনে ছিল। গত ২ ডিসেম্বর রাতে সে সিলেটে গেলে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।







