এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে ঘিরে বে-আইনি মিছিল, শোডাউন ও নাশকতার আশংকায় গোপালগঞ্জসহ দেশের ৬ জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল সোমবার (২২জুন) রাতেই যশোরের ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের সেনানিবাস থেকে ২জন সেনা অফিসারসহ ১৭১জন সেনা সদস্য রাত ৮টার দিকে গোপালগঞ্জে পৌঁছেছে।
সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত গোপালগঞ্জ জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকবে। জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ইতোমধ্যে টহল জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের ২৩ জুনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গোপালগঞ্জসহ দেশের ছয় জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করেছে সরকার। এ লক্ষ্যে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহায়তা করতে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ আওতায় এক সপ্তাহের জন্য সেনা মোতায়েন করা হচ্ছে।
সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্তের পর রাত ৮টার দিকে যশোরের ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের সেনানিবাস থেকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা গোপালগঞ্জে এসে পৌঁছেছে।
এদিকে, আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন উপলক্ষে স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগসহ সহযোগী সংগঠনের কাউকেই কোন আয়োজন করতে দেখা বা শোনাও যায়নি।
জানা যায়, শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর আওয়ামী লীগের অধিকাংশ নেতাকর্মী পলাতক ও কিছু নেতাকর্মী বিভিন্ন মামলায় কারাগারে আটক রয়েছে।
মাদক বিক্রেতাসহ নানা অপরাধের সাথে জড়িত এমন কিছু অপরাধীদের মধ্যে আতংক বিরাজ করলেও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা রয়েছে স্বাভাবিক।
গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ জানিয়েছেন, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। আজও জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক স্বাভাবিক থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, এ জেলার মানুষ শান্তিপ্রিয়, তাই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হবার কোন আশংকা নেই। তারপরও জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে জেলায় পৌঁছেছে সেনাবাহিনী।







