দেখতে দেখতে দুয়ারে কড়া নাড়ছে আরও একটি বিশ্বকাপ। আগামী বছর যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা-মেক্সিকোয় হবে ফিফা বিশ্বকাপের ২৩তম আসর। লিওনেল মেসি এখন খেলেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মিয়ামিতে। সেখানে আগামী বিশ্বআসর, মেসি খেলবেন তো? বিশ্বমঞ্চে খেলা নিয়ে এখনও পরিষ্কার কিছু জানাননি আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি।
এস্তাদিও মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে শুক্রবার ভোরে ভেনেজুয়েলাকে ৩-০তে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা। মেসি করেছেন দুই গোল। এদিন ঘরের মাঠে আর্জেন্টিনার হয়ে সম্ভাব্য শেষ প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলে ফেলেছেন মেসি। ম্যাচের পর সমর্থকদের থেকে বিদায়ও নিয়েছেন। জাতীয় দল জার্সিতে দেশের মাটিতে মেসির প্রথম ম্যাচ ছিল ২০ বছর আগে এ স্টেডিয়ামেই। ৯ অক্টোবর, ২০০৫ সালে। সেটিও ছিল বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ঘরের মাঠে আর্জেন্টিনার শেষ ম্যাচ।
ক্যারিয়ারে সম্ভাব্য সব শিরোপারই স্বাদ পেয়েছেন মেসি। একের পর এক সাফল্যে নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। ক্যারিয়ারের এবেলায় এসেও থেমে নেই মেসিজাদু। ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মনুমেন্টালে দাঁড়িয়ে ৩৮ বর্ষী মহাতারকা বলেছেন, ‘একই কথা, যেটা এর আগেও বলেছি বিশ্বকাপ নিয়ে, মনে হয় না আরেকটি খেলতে পারব। কারণ আমার বয়স। বড় যুক্তিটা হল, আমি কুলিয়ে উঠতে পারব না। কিন্তু আর বেশি দিন তো নেই। আমি এই বিশ্বকাপে খেলার প্রেরণা পাচ্ছি। যেটা এর আগেও বলেছি, আমি দিন ধরে ধরে এবং ম্যাচ ধরে ধরে এগোই।’
‘দিন ধরে ধরে এগিয়ে ভালো থাকা এবং নিজের সঙ্গে সৎ থাকাটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ভালো অনুভব করলে খেলা উপভোগ করি। ভালো না লাগলে করি না। তাই ভালো না লাগলে সেখানে (বিশ্বকাপে) না থাকাটাই আমার পছন্দ। দেখা যাক কী হয়, বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নিইনি। আগে এমএলএস মৌসুম শেষ করব। এরপর প্রাক-মৌসুম পাবো এবং ছয় মাস সময় বাকি থাকবে। দেখা যাক কী হয়। আশা করি ২০২৬ সালের প্রাক-মৌসুমটা ভালো কাটবে এবং এমএলএসের মৌসুম। তারপর সিদ্ধান্ত নেব।’








