কক্সবাজারে টেকনাফের সেন্টমার্টিন দ্বীপের কাছাকাছি সাগর থেকে দুইটি মাছ ধরার ট্রলারসহ বাংলাদেশি ১১ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্টি আরাকান আর্মি।
মঙ্গলবার ৮ এপ্রিল টেকনাফের সেন্টমার্টিন দ্বীপের কাছাকাছি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানান বিজিবির টেকনাফ ২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আশিকুর রহমান।
তিনি জানান, ট্রলার দুইটির মালিক টেকনাফ পৌর এলাকার বাসিন্দা। এর মধ্যে টেকনাফ কায়ুকখালী খাল বোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালামের মালিকাধীন ট্রলারে ৫ জন এবং তার ভাতিজা মো. শাওনের মালিকানাধীন ট্রলারে ৬ জন জেলে রয়েছে। দুইটি ট্রলারের ১ জন ছাড়া অন্য সব জেলে বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গা নাগরিক।
টেকনাফ কায়ুকখালী খাল বোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম বলেন, সকালে সেন্টমার্টিন দ্বীপের কাছাকাছি সাগরে বাংলাদেশের জলসীমায় তার ও ভাতিজার মালিকানাধীন দুইটি ট্রলার মাছ ধরছিল। এক পর্যায়ে মিয়ানমার থেকে স্পিডবোট যোগে আসা একদল লোক ট্রলার দুইটিকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। পরে তাদের জিম্মি করে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে নিয়ে যায়।
তবে ঘটনার পর থেকে ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেদের সঙ্গে কোন ধরনের যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে জানান তিনি। বোট মালিকদের এ নেতা জানিয়েছেন, ঘটনাটি শোনার পর বিষয়টি টেকনাফের ইউএনও, বিজিবি ও কোস্টগার্ডের সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হয়েছে।
এ নিয়ে বিজিবির টেকনাফ ২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান বলেন, সেন্টমার্টিনের কাছাকাছি সাগর থেকে মাছ ধরার দুইটি ট্রলারসহ ১১ জেলেকে ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি শুনেছেন। ঘটনার ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেদের ফেরত আনতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান বিজিবির এ কর্মকর্তা।







