কাশ্মীর ইস্যুতে ২০১০ সালে এক সেমিনারে বেআইনি মন্তব্য করার অভিযোগে লেখক অরুন্ধতী রায় এবং কাশ্মীর-ভিত্তিক শিক্ষাবিদ শেখ শওকত হুসেইনের বিচার শুরু করার অনুমোদন দিয়েছেন দিল্লির উপ-রাজ্যপাল ভি কে সাক্সেনা।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
সুশীল পণ্ডিত নামে সরকারপন্থী এক রাজনৈতিক কর্মীর দায়ের করা অভিযোগে অরুন্ধতী রায় এবং শেখ শওকত হুসেইনকে সেই সময়ে বিজেপি সমর্থক হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছিল। তিনি অভিযোগ করেছেন, রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তির জন্য কমিটি দ্বারা আয়োজিত “আজাদী- একমাত্র পথ” শীর্ষক সম্মেলনে অরুন্ধতী রায়, শেখ শওকত হুসেইনসহ অন্যান্যরা ভারত থেকে কাশ্মীরকে বিচ্ছিন্ন করা নিয়ে প্রচার করেছিলেন। যার ফলে জনশান্তি ও নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ে।
২০১০ সালে “আজাদী- একমাত্র পথ” সম্মেলনটি লিটল থিয়েটার গ্রুপ অডিটোরিয়ামে বিজেপি আয়োজন করে। তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি. চিদাম্বরম প্রাথমিকভাবে অরুন্ধতী রায়সহ অন্যদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেননি।
অরুন্ধতী রায় এবং শেখ শওকত হুসেইনকে আইপিসির ধারা ১৫৩এ বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা প্রচার করা, ১৫৩বি জাতীয় সংহতির ক্ষতির চেষ্টা, ৫০৪ আইন ভঙ্গের উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃত অবমাননা এবং ৫০৫ দেশের ক্ষতির জন্য জনসাধারণের ধারণাকে প্রভাবিত করা ধারায় অভিযুক্ত করা হয়েছে।
এলজি গত বছরের অক্টোবরে আইপিসি অপরাধের জন্য তাদের বিচার করার অনুমোদন চেয়ে আবেদন করে তখন বিচার কাজ শুরু করার একটু প্রাথমিক অনুমোদন দেয়া হয়।
বিচার কাজ শুরুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পরপরই তৃণমূলের সাংসদ-নির্বাচিত মহুয়া মৈত্র তার সামাজিক মধ্যম এক্স-এ লিখেছেন, যদি ইউএপিএ বিজেপির অধীনে অরুন্ধতী রায়ের বিরুদ্ধে মামলা করে প্রমাণ করার চেষ্টা করে যে, তারা ফিরে এসেছে, সব ঠিক আছে তাহলে তারা ভুল।







