পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানসহ পিটিআই’র শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে পুলিশের ওপর হামলা ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান নিয়ে কটুক্তির অভিযোগ আনা হয়েছে।
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছেন, সরকার নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ভয়ে জনসমাবেশ নিষিদ্ধসহ নির্বাচনী প্রচারে বাধা দিচ্ছে। তিনি বলেন, ফেডারেল সরকার জনসমাবেশ নিষিদ্ধ করায় লাহোরে তাকে নির্বাচনী সমাবেশ প্রত্যাহার করতে বাধ্য করে।
তিনি লাহোরে তার একটি নির্বাচনী জনসভায় পুলিশের অভিযান, সমর্থকদের গ্রেপ্তার ও আহত করার জন্য পাকিস্তান সরকারকে অভিযুক্ত করেছেন ।
পাঞ্জাব প্রদেশের রাজধানীতে ইমরান খানের তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) এর এক জনসভায় সরকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার জন্য তার সমর্থকদের উপর পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও জল কামান নিক্ষেপ করে।
স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, পিটিআই ৩০ এপ্রিল প্রাদেশিক নির্বাচনের প্রচারনার জন্য একটি জনসভার পরিকল্পনা করে, কিন্তু অথরিটি অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সেটিকে নিষিদ্ধ করে।
গত ৫ মার্চ তোশাখানা মামলার জের ধরে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নিয়ে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে গ্রেপ্তার করতে তার বাস ভবন ঘেরাও করে পুলিশ। এসময় তিনি বাসভবনের দেয়াল টপকে প্রতিবেশীর বাড়িতে লুকিয়ে গ্রেপ্তার এড়িয়ে যান।
সেদিন তার বাসভবনের বাইরে বিপুল পরিমাণ পিটিআই কর্মী তার সাথে দেখা করতে আসে এবং গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ জানায়। এসময় প্রতিবাদকারী পিটিআই কর্মীরা পুলিশের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
পরবর্তী সময়ে পিটিআই এর আপিলের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে জারি করা অজামিনযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা স্থগিত করেছে হাইকোর্ট।







