সোশ্যাল মিডিয়ায় নিষেধাজ্ঞা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল নেপাল। দেশটিতে তরুণদের বিক্ষোভে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগে পদত্যাগ করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে বিক্ষোভকারীদের সংঘাতে এ পর্যন্ত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে নেপালে।
তবে, প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলেও এখনো ক্ষোভ প্রশমণের কোন লক্ষ্মণ দেখা যায়নি দেশটিতে। নেপাল জুড়ে বিভিন্ন জায়গায় সরকারি ভবনগুলোতে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে বিক্ষোভকারীরা। ভক্তপুরের বালাকোটে পদত্যাগ করা প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মার বাড়িতেও আগুন দিয়েছে বিক্ষুব্ধরা।
মঙ্গলবার ৯ সেপ্টেম্বর বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
এর আগে, সোমবার গভীর রাতে মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠকের পর ফেসবুক ও ইউটিউবসহ ২৬টি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের ওপর দেয়া নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয় সরকার। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং পাশাপাশি দুর্নীতি মোকাবিলার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ করছিলেন হাজার হাজার তরুণ-তরুণী। তারা সোমবার রাজধানী কাঠমান্ডুতে পার্লামেন্ট ভবনে জোর করে প্রবেশ করার চেষ্টা চালায় এবং বিভিন্ন জায়গায় আগুন ধরিয়ে দেয়।
নেপালের ত্রিভুব আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। দেশটির অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচল স্থগিত করা হয়েছে।







