লেইপজিগকে হারিয়ে টানা দুই জয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে ভালোই এগোচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ। ১৪ বারের শিরোপাজয়ীরা শেষ ম্যাচে অবশ্য সহজ জয় পায়নি। প্রতিপক্ষ গোলের অনেক সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে না পারায় রিয়ালের মিলেছে ২-০ গোলের জয়।
লা লিগায় গত ১১ সেপ্টেম্বর রিয়াল মায়োর্কার বিপক্ষে দারুণ এক গোল করেছিলেন ফেদেরিকো ভালভার্দে। উরুগুইয়ান মিডফিল্ডার চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও ছন্দ ধরে রেখেছেন। লেইপজিগের বিপক্ষে যখন রিয়ালকে গোল আনতে বেগ পেতে হচ্ছিল, তখন ৮০ মিনিটে ভালভার্দে ডেডলক ভাঙেন। ভিনিসিয়াস জুনিয়রের অ্যাসিস্টে বল নিয়ে বাঁ-পায়ের শটে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে এম্যাচে প্রথম জালের দেখা পায় স্বাগতিকরা।
ভালভার্দেকে স্বাভাবিকভাবেই প্রশংসায় ভাসিয়েছেন আনচেলত্তি। ২৪ বর্ষী ফুটবলারকে নিয়ে বলেছেন, ‘সে ভালো করছে। তার যে ঘাটতি ছিল, তা বাক্সবন্দি হচ্ছে। এখন সে গোল করছে। গতিময় ফুটবল খেলে ডি-বক্সে ঢুকে ভালো কিক নিচ্ছে। তার সব গুণ দেখিয়ে চলেছে।’
এমুহূর্তে ভালভার্দে তার অবস্থানে বিশ্বসেরা কিনা- এমন প্রশ্নে চমকে দেয়ার মতো উত্তর দিয়েছেন রিয়ালের ইতালিয়ান কোচ। তার ভাষ্য, ‘যদি এমন একজন খেলোয়াড়কে এক মৌসুমে কমপক্ষে ১০টি গোল করাতে না পারেন, তবে আপনার কোচিং ব্যাজটি ছিঁড়ে নেয়া উচিৎ। অবসর নেয়া উচিৎ।’
‘আজ বাঁ-পায়ে যে বুলেট গতির শট নিয়েছে, এমনটা আগে কখনো তাকে করতে দেখিনি। তার এমন করার ক্ষমতা রয়েছে, তা দেখিয়েছে। নিজের সক্ষমতার প্রতি তার আত্মবিশ্বাস রয়েছে। ভালভার্দে তার অবস্থানে বিশ্বসেরা কিনা সেটা দেখার জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।’
একপেশে ম্যাচ না হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন স্প্যানিশ জায়ান্টদের কোচ। আনচেলত্তি বলছেন, শক্তির বিচারে তার দল এগিয়ে থাকলেও কোনো ঝুঁকি নেয়ার পক্ষে ছিলেন না।
‘এটা ভালো ম্যাচ ছিল। প্রথমার্ধে আমরা কিছুটা ভুগেছি। আমরা খেলা নিয়ন্ত্রণ করতে চেয়েছিলাম। দ্বিতীয়ার্ধে আরও কিছুটা চাপ বাড়াতে চেয়েছিলাম এবং আমরা সেটাই করেছি। খেলায় আমাদের আরও কিছুটা শক্তি বৃদ্ধি করতে হয়েছিল।’
‘প্রথমার্ধ বেশ নিয়ন্ত্রিত ছিল। লেইপজিগ আক্রমণে বিপজ্জনক হওয়ায় আমরা কোনো ঝুঁকি নিতে চাইনি। আমরা প্রথম দুটি ম্যাচ জিতেছি। এখন বিরতির পর আমাদের আরেকটি (শাখতারের বিপক্ষে) ম্যাচ আছে।’







