প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বেসরকারি খাতের শীর্ষ উদ্যোক্তাদের বৈঠককে ঘিরে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিডার পাঠানো এক প্রেস নোটে ‘প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাত বিষয়ক উপদেষ্টা পরিষদ গঠন’ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। পরে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে বিডা কর্তৃপক্ষ জানায়, কোনো কোনো সাংগঠনিক বা আইনি ভিত্তির প্রেক্ষিতে কিছু করা হয়নি।
৪ এপ্রিল রাতে বিডার পরবর্তী বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী আজ দেশের বেসরকারি খাতের শীর্ষস্থানীয় উদ্যোক্তাদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন। এ আয়োজনের উদ্দেশ্য ছিল ব্যবসায়িক নেতাদের অভিজ্ঞতা, পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ শোনা এবং বেসরকারি খাতনির্ভর প্রবৃদ্ধিকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো চিহ্নিত করা।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, বৈঠকটি সরকার বা প্রধানমন্ত্রীর কোনো আনুষ্ঠানিক উপদেষ্টা পরিষদ নয়। এটি কোনো সাংগঠনিক বা আইনি ভিত্তিতে গঠিত কাঠামোও নয়। সামাজিক মাধ্যমে এ বিষয়ে যে তথ্য ছড়িয়েছে, তা বিভ্রান্তিকর বলে উল্লেখ করা হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগ পরিবেশ, নীতিগত বাধা, সংস্কার অগ্রাধিকার এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির উপায় নিয়ে আলোচনা হয়। উদ্যোক্তারা বিভিন্ন খাতে কাঠামোগত সংস্কার, নীতি সহায়তা এবং প্রশাসনিক জটিলতা কমানোর বিষয়ে মতামত তুলে ধরেন।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের চেয়ারম্যান ও সিইও আব্দুল মুক্তাদির, রানার গ্রুপের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও আহসান খান চৌধুরী, এপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, এসিআই পিএলসির এমডি ড. আরিফ দৌলা, ডিবিএল গ্রুপের এমডি মো. আব্দুল জব্বার, র্যাংগস গ্রুপের এমডি সোহানা রউফ চৌধুরী, বে গ্রুপের এমডি জিয়াউর রহমান এবং প্যাসিফিক জিন্স গ্রুপের এমডি সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর।
বিডা জানায়, ভবিষ্যতেও এ ধরনের মতবিনিময় সভা অব্যাহত থাকবে, যাতে বেসরকারি খাতের সঙ্গে সরকারের নীতিগত সমন্বয় আরও জোরদার করা যায়। তবে এটিকে কোনো উপদেষ্টা পরিষদ বা আনুষ্ঠানিক কাঠামো হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলেও স্পষ্ট করা হয়েছে।







